সর্বশেষ

সারাদেশ

কাপাসিয়ার ৫ খুন : পদ্মা নদী থেকে ফোরকানের মরদেহ উদ্ধারের গুজব

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার , ১৪ মে, ২০২৬ ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে- এমন তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) পদ্মা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ- এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে ফোরকানের একটি ব্যাগ ও কিছু কাপড় উদ্ধার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর তিনি সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন- এমন গুজবেও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাঁচজনকে হত্যার ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল কাজ করছে। এরই মধ্যে সিআইডি পদ্মা সেতুর ওপর পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি ব্যাগ ও কিছু কাপড় উদ্ধার করে, যা যাচাই-বাছাই শেষে ফোরকানের বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যায় নিহত শারমিন খানমের বাবা মো. সাহাদৎ মোল্লা কাপাসিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ফোরকান মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয় এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৩৫), তাদের তিন কন্যা মিম (১৪), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (১৮)।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত ফোরকান পরিবারের সদস্যদের খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাওয়ানোর পর গভীর রাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একে একে তাদের হত্যা করে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ফোরকান মিয়া পেশায় প্রাইভেটকার চালক ছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর গ্রামের আতিয়ার রহমান মোল্লার ছেলে। প্রায় এক বছর আগে তিনি রাউতকোনা গ্রামের ওই বাড়ির নিচতলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন।

প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা ছিল, পারিবারিক কলহ ও পরকীয়ার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগেই দুজনকে আটক করেছিল পুলিশ।

১২৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন