অসহায় কৃষাণীকে ধান কেটে ধরে তুলে দিলেন এমপি জিলানী
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬ ৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গুয়াধানা গ্রামের অসহায় কৃষাণী নমিতা বিশ্বাসের পাশে দাঁড়িয়েছেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. জিলানী।
স্বামী হারিয়ে তিন কন্যা সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করা এই নারী স্বামীর রেখে যাওয়া ২ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। ফলন ভালো হলেও শ্রমিক সংকট ও উচ্চ মজুরির কারণে ধান কাটতে না পেরে দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ৬টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এমপি এস. এম. জিলানী দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নমিতা বিশ্বাসের ২ বিঘা জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দেন। এতে স্বস্তি ফিরে আসে অসহায় ওই কৃষাণীর মুখে।
ধান কাটার সময় এমপি মাঠে উপস্থিত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা, বিশেষ করে শ্রমিক সংকটের বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার মোল্লা, খালিদ বিশ্বাস, পৌর বিএনপির সভাপতি এমদাদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল সরকার, পাটগাতী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নান্টু শেখ, গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দিপক চন্দ্র মণ্ডল, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক জসিম শেখসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
অসহায় কৃষাণী নমিতা বিশ্বাস বলেন, “আমার তিনটি কন্যা সন্তান। স্বামী মারা যাওয়ার পর অনেক কষ্টে সংসার চালাতে হচ্ছে। শ্রমিকের মজুরি প্রতিদিন ১২০০ টাকা হওয়ায় জমির ধান কাটতে পারছিলাম না। এমপি এস. এম. জিলানী সাহেব লোকজন নিয়ে এসে আমার ধান কেটে দিয়েছেন। এতে আমি অনেক উপকৃত হয়েছি।”
এ বিষয়ে এমপি এস. এম. জিলানী বলেন, “চলতি মৌসুমে ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য। অনেক মানুষ টাকা দিয়েও শ্রমিক পাচ্ছেন না। তাই দল থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেন গরিব ও অসহায় মানুষের ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়া যায়। এতে তারা কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন।”
তিনি আরও বলেন, “কৃষকরা দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তাদের দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব। কৃষির উন্নয়নে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”
১২০ বার পড়া হয়েছে