গুচ্ছের এ ইউনিটের ফল প্রকাশ: পাস ৩০%, শীর্ষে তৌকির সিদ্দিকী ইশতি
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের এ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, এ ইউনিটে পাসের হার ৩০ শতাংশ। পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ঢাকার মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী তৌকির সিদ্দিকী ইশতি।
বুধবার সকালে ভর্তি পরীক্ষা কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মনজুরুল হক ফল প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ ইউনিটে মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে ৭৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ, অর্থাৎ ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পাস নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৮ জন, যা মোট অংশগ্রহণকারীর ৩০ শতাংশ। অন্যদিকে, ৩০ নম্বরের নিচে পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৮৭ হাজার ৭৪০ জন, যা ৬৯ দশমিক ৫০ শতাংশ।
এ ছাড়া বহিষ্কার, রোল বা সেট সংক্রান্ত ত্রুটি এবং শনাক্তকরণ সমস্যার কারণে ১১০ জন পরীক্ষার্থীর ফল বাতিল করা হয়েছে।
ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ৮৭ নম্বর পেয়ে মেধাতালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন তৌকির সিদ্দিকী ইশতি। অপরদিকে, এ বছর সর্বনিম্ন প্রাপ্ত নম্বর মাইনাস ১৪ দশমিক ২৫।
অন্যদিকে, একই ইউনিটের আর্কিটেকচার বিষয়ের ফলাফলেও পাসের হার তুলনামূলক কম দেখা গেছে। এ বিভাগে মোট ৩ হাজার ৫৬১ জন আবেদন করলেও পরীক্ষায় অংশ নেন ১ হাজার ৫৪৬ জন (৪২ দশমিক ৯০ শতাংশ)। এর মধ্যে মাত্র ১৪০ জন (৯ শতাংশ) উত্তীর্ণ হয়েছেন। বিপরীতে ১ হাজার ৪০৫ জন (৯০ দশমিক ৫০ শতাংশ) অকৃতকার্য হয়েছেন। এছাড়া এক পরীক্ষার্থীর ফল বাতিল করা হয়েছে।
আর্কিটেকচার পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর ৫০ (রোল: ১৪৪০৮৬) এবং সর্বনিম্ন নম্বর শূন্য।
শিক্ষার্থীরা জিএসটির নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজ নিজ ফলাফল দেখতে পারবেন। ভর্তি পরীক্ষা কমিটি জানিয়েছে, শিগগিরই ভর্তিসংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
অধ্যাপক মনজুরুল হক বলেন, এ ইউনিটের ফল প্রকাশের মাধ্যমে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সব ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুরু হবে ভর্তি কার্যক্রম। তবে এর আগে শিক্ষার্থীদের ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের (রিভিউ) জন্য কয়েক দিন সময় দেওয়া হবে।
১৩১ বার পড়া হয়েছে