সর্বশেষ

সারাদেশ

ঈদের ছুটিতেই শেষ হয়ে গেল মাদরাসা শিক্ষকের সংসার

আবদুর রহিম, নোয়াখালী
আবদুর রহিম, নোয়াখালী

শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬ ৩:৫৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর একটি পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের মুফতি আব্দুল মমিন (৫৬), তার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৪৫), ছেলে সাইফ (৮), মেয়ে লাবিবা (১৮) এবং প্রাইভেটকারচালক জামাল হোসেন (৫০)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মমিনের আরেক ছেলে আবরার (১০)। তাকে কুমিল্লার ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুফতি আব্দুল মমিন ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া আরাবিয়া মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন। তিনি তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক। ঈদের ছুটিতে পরিবারসহ গ্রামের বাড়িতে আসেন তিনি। পরে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে নোয়াখালীর মাইজদীতে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করেন। ঈদের ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফেরার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

জানা গেছে, সন্ধ্যা ছয়টার দিকে দ্রুতগতির স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস প্রাইভেটকারটিকে ডান পাশ থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই চালক জামাল হোসেন মারা যান। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে একই পরিবারের চার সদস্য মারা যান।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাশার জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ নিহতদের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শন করেছে। একসঙ্গে পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের মাতম চলছে। নিহতদের লক্ষ্মীপুর জেলার তিতারকান্দি এলাকায় দাফন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

এদিকে, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি আটক করা হলেও চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। পুলিশ বাস ও প্রাইভেটকারটি থানায় নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।

২৬৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন