সর্বশেষ

সারাদেশ

পিচ-পাথরের বদলে ইটের সলিং: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক সংস্কার নিয়ে প্রশ্ন

সুখেন্দু এদবর, বরিশাল
সুখেন্দু এদবর, বরিশাল

বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৭:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে পাথর ও বিটুমিনের পরিবর্তে ইটের সলিং দিয়ে নামেমাত্র সংস্কার করছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। এতে সড়ক সংস্কারের মান ও স্থায়িত্ব নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকেরা। সওজ অবশ্য দাবি করেছে, বর্ষার কারণে সাময়িকভাবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বৃষ্টি কমলে স্থায়ী সংস্কার করা হবে।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে পাথর ও বিটুমিনের পরিবর্তে ইটের সলিং দিয়ে নামেমাত্র সংস্কার করছে সওজ

টানা কয়েক সপ্তাহের ভারী বর্ষণে দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী অংশে অসংখ্য ছোট-বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যস্ততম মহাসড়কটি সচল রাখতে বড় বড় গর্তগুলোতে পিচ ও পাথরের পরিবর্তে ইটের খোয়া ও বালু দিয়ে ভরাট করছে বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কে এমন দায়সারা সংস্কারের কারণে কাজের গুণগত মান এবং তদারকি নিয়ে স্থানীয়দের মনে গভীর অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ড থেকে উজিরপুরের সীমানা পর্যন্ত প্রায় ১৯ কিলোমিটার মহাসড়কের বার্থী, টরকী, আশোকাঠী, বাটাজোরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সড়কের মাঝখানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সওজের পক্ষ থেকে এসব স্থানে কোনো কারিগরি স্পেসিফিকেশন না মেনেই সরাসরি ইটের সলিং করে দেওয়া হচ্ছে, যা মহাসড়কের মতো ব্যস্ত সড়কের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে জানান, ভারী যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ এবং বৃষ্টির পানির কারণে ইটের টুকরোগুলো দ্রুত উঠে যাচ্ছে। এর ফলে কয়েকদিনের ব্যবধানে একই স্থানে পুনরায় গর্ত তৈরি হচ্ছে। এছাড়া বেপরোয়া গতির গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ইটের খোয়া ছিটকে পথচারী ও ছোট যানবাহনের ওপর পড়ছে। রোদের সময় এই ভাঙা ইট গুঁড়ো হয়ে বাতাসে মিশে মারাত্মক ধুলাবালির সৃষ্টি করছে, যা পরিবেশের চরম ক্ষতি করছে।

গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান জানান, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ উঁচু-নিচু ও খানাখন্দে ভরা থাকায় প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়কটি যথাযথভাবে সম্প্রসারণ ও স্থায়ী সংস্কার করা হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহিন খান বলেন, সড়ক সচল রাখা এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতেই মূলত জরুরি ভিত্তিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি একে সাময়িক রক্ষণাবেক্ষণ উল্লেখ করে জানান, বর্ষা শেষ হলেই দ্রুততম সময়ে পাথর ও বিটুমিন দিয়ে স্থায়ীভাবে মহাসড়ক সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।

১২৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন