বাজারে তেলের কৃত্তিম সংকট ও ব্লাক মার্কেটিং হচ্ছে : টুকু
বৃহস্পতিবার , ২৬ মার্চ, ২০২৬ ৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল নিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেছেন, “আপনারা এ কাজ পরিহার করুন এবং তেল ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন। সরকার ভর্তুকি দিয়ে তেল এনে বাজার সহনীয় রাখতে চাইলেও একটি চক্র অতি লাভের আশায় ব্ল্যাক মার্কেটিং করছে। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত নিচ্ছে। মানুষ সাশ্রয়ী না হলে ভর্তুকি দেওয়া সরকারের সম্ভব হবে না। অসাধু উপায় বন্ধ করার জন্য এতো রাতে পেট্রোল পাম্পে এসেছি। পেট্রোল পাম্পে এসে দেখলাম তেল থাকা সত্ত্বেও তেল নেয়ার জন্য ভিড় করছে। মূলত এরাই ব্ল্যাক মার্কেটিংয়ের সাথে জড়িত।”
বুধবার রাত ১১টায় সিরাজগঞ্জ শহরের মিরপুর ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “ইরান যুদ্ধের পর থেকে পাম্পগুলোতে আগের মতোই তেল সরবরাহ রয়েছে। কোথাও কোথাও আগের চেয়ে ৪ গুণ তেল দেয়া হচ্ছে। তারপরও সংকট কেন? এর কারণ মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত তেল নিয়ে যাচ্ছে। অসাধু অনেকেই জ্যারেরিকেন ও ড্রামে করে তেল নিয়ে ব্ল্যাক মার্কেটিং করে বেশি দামে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে। আর এ কাজগুলো করছে আমাদের বিরোধী পক্ষের লোকজন।”
পরিদর্শনকালে তিনি পাম্পের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারীর রেজিস্টার চেক করে দেখেন, ওই মাসগুলোতে যেখানে গড়ে এক দিনে ১ হাজার লিটার পেট্রোল চাহিদা ছিল, সেখানে বর্তমানে চারগুণ তেল দেওয়া হলেও সংকট দেখা দিচ্ছে। এর মূল কারণ হলো তেল নিয়ে ব্ল্যাক মার্কেটিং করা হচ্ছে।
তিনি পরিদর্শন কালে অনেকগুলো মোটরসাইকেল চেক করে দেখেন। কয়েকটি মোটরসাইকেলে ৪-৫ লিটার তেল থাকা সত্ত্বেও পুনরায় তেল নেয়ার জন্য ভিড় করছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, “জনগণের কাছে আমার আবেদন, যার যতটুকু প্রয়োজন, আপনারা ততটুকুই তেল নিবেন।” পরিদর্শনকালে তিনি মোটরসাইকেলের লাইসেন্স চেক করে সর্বোচ্চ ৫ লিটার করে তেল দেয়ার নির্দেশ দেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন খানসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৫৯ বার পড়া হয়েছে