সর্বশেষ

সারাদেশ

গাইবান্ধায় ফলের দাম আকাশছোঁয়া, সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে

কায়ছার প্লাবন, গাইবান্ধা
কায়ছার প্লাবন, গাইবান্ধা

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৯:২০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
পবিত্র রমজান মাসে ইফতারের সময় ক্রেতাদের মধ্যে ফলের চাহিদা তুঙ্গে থাকলেও বাজারে দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষজন বিপাকে পড়েছেন।

বাজার সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, কয়েক দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ফলের দাম ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। চাহিদা বাড়লেও ক্রেতাদের জন্য ক্রমেই ‘বিলাসী পণ্য’ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিদেশি ফল।

বর্তমানে জেলার বিভিন্ন বাজারে ড্রাগন ফল ৩০০–৩৫০ টাকা, ডালিম ৪৫০–৫০০ টাকা এবং কমলা ৩০০–৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আপেল ২৮০–৩৪০ টাকা, মাল্টা ২৮০–৩০০ টাকা ও আঙুর ৪৫০–৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা জানান, ৩০০ টাকার নিচে বিদেশি ফল পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় খেজুর ও লেবুর দামও বেড়েছে। বর্তমানে চারটি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০–৭০ টাকায়। জেলার বিভিন্ন হকার্স মার্কেটে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, অল্প পরিমাণ ফল কেনাতেও হাজার টাকার বেশি খরচ হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, পাইকারি বাজারে অস্থিরতা ও আমদানি নির্ভরতার কারণে দাম বাড়ছে। সাঘাটা উপজেলার ফল বিক্রেতা মো. মুকুল শেখ বলেন, “পাইকারি দামের সঙ্গে সামান্য মুনাফা যোগ করেই বিক্রি করি। তাই খুচরা দামে পরিবর্তন আসছে।”

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, “রমজানকে সামনে রেখে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম চলমান। অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও বাজার মনিটরিং না জোরদার করলে রমজানজুড়ে ফলের বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। সাধারণ মানুষের দাবি, প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে দাম সহনীয় পর্যায়ে নামানো হোক।

২৭২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন