জামায়াতের আমির পাচ্ছেন অস্ত্রধারী দেহরক্ষী ও বাসভবনে সশস্ত্র পুলিশ
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ৫:২৪ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদারে অস্ত্রধারী দেহরক্ষী (গানম্যান) নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জামায়াতের আমিরের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি ও হুমকি বিদ্যমান রয়েছে। এ কারণে তাঁর ব্যক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনের নিরাপত্তায় সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন জরুরি।
এর আগে গত ১৭ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ডা. শফিকুর রহমানের জন্য সার্বক্ষণিক গানম্যান এবং বাসভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের আবেদন জানানো হয়। দলের অফিস সেক্রেটারি আ ফ ম আবদুস সাত্তার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদনটি করেন। যাচাই-বাছাই শেষে সরকার এই নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
এই সিদ্ধান্তের ফলে জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ এখন পর্যন্ত চারজন রাজনৈতিক নেতাকে অস্ত্রধারী দেহরক্ষী দেওয়া হলো। এর আগে চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুণকে গানম্যান প্রদান করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অস্ত্রের লাইসেন্স ও অস্ত্রধারী দেহরক্ষী চেয়ে প্রায় ২০ জন রাজনীতিবিদ আবেদন করেছেন। কয়েকটি ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকেও নিরাপত্তা নিশ্চিতের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এসব আবেদন পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা–২০২৫’ জারি করে। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও সশস্ত্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার লক্ষ্যে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। নীতিমালা জারির পর থেকেই এ সংক্রান্ত আবেদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
১০৮ বার পড়া হয়েছে