বড়দিন ও নববর্ষ উপলক্ষে বান্দরবানে সেনা জোনের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের আনন্দক্ষণ
বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৬:৪৯ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
শুভ বড়দিন ও খ্রিস্টীয় নববর্ষ ২০২৬ উপলক্ষে বান্দরবানের খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সৌহার্দ্য ও আনন্দ ভাগাভাগি করেছে বান্দরবান সেনা জোন।
এ উপলক্ষে জেলার ফাতিমা রাণী গির্জাসহ বিভিন্ন চার্চে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে কেক ও ফল পাঠানো হয়।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বান্দরবান পার্বত্য জেলার ফাতিমা রাণী গির্জা প্রাঙ্গণে বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে কেক কাটা, ফানুস উড়ানো ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর নাফিউ সিদ্দিকী রোমান, পিএসসি।
আলোচনা সভায় তিনি বলেন, পার্বত্য বান্দরবান সব সম্প্রদায়ের মিলনস্থল। এখানে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বড়দিন মানবতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার বার্তা দেয়। এই মূল্যবোধ সমাজে ধারণ করতে পারলে স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করা সম্ভব।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি শিশুদের সঙ্গে কেক কাটেন এবং আকাশে ফানুস উড়িয়ে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জোনাল স্টাফ অফিসার মেজর এ এস এম মাইদুল ইসলাম, পিপিএম, অ্যাডজুট্যান্ট লেফটেন্যান্ট এস এম সাব্বির আযম, ফাতিমা রাণী গির্জার প্রধান পুরোহিত ফাদার সুধীর দাস, সিএসসি, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
এ ছাড়া বান্দরবান ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের নবনির্বাচিত সভাপতি খুশি রায়, সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত ত্রিপুরা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য সাদুরাম মিল্টন ত্রিপুরা ও সমাজকর্মী বিশ্ব চন্দ্র ত্রিপুরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এর আগে রবিবার (২১ ডিসেম্বর ২০২৫) সকালে বান্দরবান সেনা জোনের ট্রেনিং গ্রাউন্ডে বড়দিন উপলক্ষে মানবিক সহায়তা প্রদান কর্মসূচির প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্ব সম্পন্ন হয়। এ কর্মসূচির আওতায় পার্বত্য এলাকার বিভিন্ন পাড়ার ৩৯টি চার্চ ও গির্জা কমিটি, পাড়াবাসী এবং ৩০০-এর বেশি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান, সামিয়ানা, টিন, নগদ অর্থসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ূন রশীদ, পিএসসি।
৩০০ বার পড়া হয়েছে