সর্বশেষ

অর্থনীতি

বেনাপোলে কাস্টমস কর্মকর্তাদের শাটডাউনে অচল বাণিজ্য, পণ্যজটে ভোগান্তি

শেখ ফারহান‌ সাদাফ, বেনাপোল
শেখ ফারহান‌ সাদাফ, বেনাপোল

রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫ ৮:১৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে দ্বিতীয় দিনের মতো অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে বেনাপোল কাস্টমস হাউস।



শনিবারের পর আজ রবিবারও (২৯ জুন) কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী উপস্থিত হননি। ফলে শুল্কায়ন, পরীক্ষণ এবং লোড-আনলোডসহ সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার অনুমোদিত ছয়টি ট্রাক দেশে প্রবেশ করলেও কোনো পণ্য রপ্তানি হয়নি। কাস্টমসের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বন্দর এলাকায় পণ্যজট সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যেও পড়েছে সরাসরি বিরূপ প্রভাব।

কাস্টমস হাউসের চেকপোস্ট কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন, “এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ডাকা শাটডাউনের কারণে কাস্টমসের কোথাও কোনো কার্যক্রম চলছে না। বৃহস্পতিবারের অনুমোদিত পণ্য ছাড়া নতুন করে কিছুই হয়নি।”

এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের অপসারণ ও ‘প্রতিহিংসামূলক’ বদলি আদেশ বাতিলের দাবিতে। এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বেনাপোল কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও পূর্ণ কর্মবিরতিতে রয়েছেন।

এর আগে প্রতিদিন অর্ধদিবস কলমবিরতি পালন করলেও শনিবার থেকে শুরু হয় পূর্ণদিবসের শাটডাউন। কাস্টম হাউসের প্রধান গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। গেটে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে কর্মসূচির ব্যানার। কর্মবিরতির অন্য দিনগুলোতে সীমিত কার্যক্রম চললেও আজ সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল বিল অব এন্ট্রি দাখিলসহ সব শাখা। সিএন্ডএফ এজেন্টদের স্টাফদেরও হাউসের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কর্মবিরতি দীর্ঘায়িত হলে বেনাপোল বন্দরে পণ্যজট আরও বাড়বে, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

৪৯৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
অর্থনীতি নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন