চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তানের ১০ কনটেইনার তামাক আটক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:২২ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ১০টি কনটেইনারে থাকা ১৫০ মেট্রিক টন কাঁচা তামাক আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা এই তামাক দিয়ে প্রায় ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট উৎপাদন সম্ভব, যার সম্ভাব্য খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৪ কোটি টাকা। প্রাথমিক পর্যালোচনায় চালানটির ঘোষিত আমদানি মূল্যে অসংগতি পাওয়া গেছে।
আমদানি মূল্যে অসংগতি
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কাঁচা তামাকের চালান আটকের তথ্য জানায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
সংস্থাটি জানায়, গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডের নামে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা এসব কনটেইনারে মোট ১৫০ মেট্রিক টন কাঁচা তামাক ছিল। এ তামাক দিয়ে আনুমানিক ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট তৈরি করা সম্ভব। সিগারেটগুলোর সম্ভাব্য খুচরা বাজারমূল্য ৪৯৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
প্রাথমিক পর্যালোচনায় চালানটির ঘোষিত আমদানি মূল্যের সঙ্গে আগের আমদানি মূল্যের উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া গেছে। কাস্টমস গোয়েন্দার তথ্য অনুযায়ী, একই এইচএস কোডের পণ্য প্রতি কেজি ৫ দশমিক ১০ মার্কিন ডলার দরে শুল্কায়ন করা হলেও আটক চালানে প্রতি কেজি কাঁচা তামাকের ঘোষিত মূল্য দেখানো হয়েছে ১ দশমিক ৪৫ মার্কিন ডলার।
২১ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব জড়িত
পূর্ববর্তী আমদানি মূল্য বিবেচনায় চালানটির আমদানি পর্যায়েই প্রায় ২১ কোটি ১২ লাখ টাকার রাজস্ব জড়িত রয়েছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
সংস্থাটির মতে, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা তামাকের প্রকৃত ব্যবহার এবং তা দিয়ে উৎপাদিত পণ্যের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা না হলে শুল্ক-কর ফাঁকির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আমদানি থেকে শুরু করে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিভিন্ন পর্যায়ে এ ধরনের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।
পরে বিস্তারিত জানাবে কর্তৃপক্ষ
আটক করা তামাকের চালান এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আরও তথ্য পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
১৪৫ বার পড়া হয়েছে