বগুড়ায় চোরকে ধরে ১০০ রাকাত নামাজ পড়ালেন ফার্মেসি মালিক
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ ২:১৭ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
বগুড়ার আদমদীঘিতে ফার্মেসি থেকে ওষুধ চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়া এক যুবককে অভিনব শাস্তি দেওয়া হয়েছে। চুরির অপরাধে মারধর না করে তাকে দিয়ে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়িয়েছেন স্থানীয়রা ও দোকান মালিক। অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হতে এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ থেকে বিরত রাখতেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পূর্ব ঢাকারোড এলাকার 'তাজ ফার্মেসি অ্যান্ড মেডিসিন শপ'-এ। আটক হওয়া যুবকের নাম মো. আলামিন (৩০)। তিনি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে।
তাজ ফার্মেসির মালিক জহুরুল ইসলাম জানান, দুপুরে তিনি দোকান খুলে রেখে কিছুক্ষণের জন্য বাথরুমে গিয়েছিলেন। এই সুযোগে আলামিন দোকানের ক্যাশ ও ওষুধের দিকে হাত বাড়ায়। একটি চেয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে ওষুধ চুরির সময় হঠাৎ চেয়ারটি ভেঙে নিচে পড়ে যান তিনি।
পাশে থাকা আরেক ব্যবসায়ী মাসুদ বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত এসে আলামিনকে জাপটে ধরেন। এরপর আশপাশের মানুষ জড়ো হলে আলামিন নিজের চুরির অপরাধ স্বীকার করেন। উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করতে উদ্যত হলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেন।
স্থানীয় কীটনাশক ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান মামুন জানান, চোরকে পুলিশে দেওয়া বা গণপিটুনি থেকে বাঁচাতে তারা ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়ার নির্দেশ দেন। আলামিনও বাধ্য হয়ে একটানা ১০০ রাকাত নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষ হওয়ার পর তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হন। এরপর স্থানীয়রা তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দেয়।
১১৪ বার পড়া হয়েছে