সর্বশেষ

সারাদেশ

প্রতিটি মেডিকেল ও জেলা হাসপাতালে বসছে ডায়ালাইসিস ইউনিট: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মামুনুর রশীদ বাবু, নওগাঁ
মামুনুর রশীদ বাবু, নওগাঁ

রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ ৮:১৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা এবং জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন। রোববার নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। আগামী ৩ মাসের মধ্যে এই ডায়ালাইসিস সেবা চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের মানুষের টারশিয়ারি লেভেলে চিকিৎসার জন্য যাতে ঢাকায় ছুটতে না হয়, সেজন্য জেলা পর্যায়ে ৬০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন করা হচ্ছে। এসব মেশিনের মাধ্যমে প্রতিদিন অন্তত ১৮০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে মেশিনের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে এগুলো স্থাপন করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে ১০টি করে ডায়ালাইসিস বেড স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য প্রয়োজনীয় ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) প্রস্তুত করে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে। পূর্বে ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে প্রথমে ১০১ শয্যা এবং পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ চলছে।

প্রস্তাবিত ১৫১ শয্যার উপজেলা হাসপাতালগুলোতে নারীদের জন্য ২৫টি এবং শিশুদের জন্য ২০টি পৃথক শয্যা সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়াও নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা ফিজিওথেরাপির ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্যাথলজি ল্যাবসহ আল্ট্রাসাউন্ড সেবার সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে ৯ তলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকটের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ না হওয়ায় কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। এই সংকট দূর করতে জরুরি ভিত্তিতে ৫ হাজার চিকিৎসক, আড়াই হাজার নার্স এবং আড়াই হাজার ফার্মাসিস্ট নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। খুব দ্রুতই পিএসসির মাধ্যমে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকেরা দেশের চিকিৎসাসেবায় যুক্ত হবেন।

বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালের লাইসেন্স প্রসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত বহু অবৈধ হাসপাতাল সিলগালা ও জরিমানা করা হয়েছে। দেশের স্বাস্থ্যখাতের সংস্কার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে।

হাসপাতাল পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান এবং সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

১২৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন