সর্বশেষ

জাতীয়

পদোন্নতিতে মেধা-সততাকে গুরুত্ব দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ ৬:৪৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে মেধা, পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও সততাকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার ঢাকায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে রোববার ‘নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ পর্ষদের মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদমর্যাদার যোগ্য কর্মকর্তাদের পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ যেন প্রভাব না ফেলে। বরং কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য এবং দায়িত্ব পালনের উপযুক্ততাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত ব্যক্তিদের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া সব শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতিও তিনি শ্রদ্ধা জানান। বিশেষভাবে সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্য এবং নৌ ও বিমান বাহিনীর বীর সেনানীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার ক্ষেত্রে নৌ ও বিমান বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের প্রয়োজনে তাঁদের অবদানের জন্য দুই বাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

পরে প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এ সময় নৌবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক, সক্ষম ও সময়োপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা কামনা করেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, সেনা ও বিমান বাহিনী প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১২৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন