সর্বশেষ

সারাদেশ

খাগড়াছড়িতে ৫ কোটি টাকার সিসি ক্যামেরা প্রকল্পে অনিয়ম, তদন্তের দাবি

আল-মামুন, খাগড়াছড়ি
আল-মামুন, খাগড়াছড়ি

শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬ ৪:৩৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতায় জেলা শহরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা ও ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহার, কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিল উত্তোলনসহ নানা অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত দাবি করেছেন তাঁরা।
সিসি ক্যামেরায় অনিয়মের অভিযোগ

খাগড়াছড়ি জেলা শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার প্রকল্প গ্রহণ করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ। প্রকল্পটির কাজ করছে নেক্সাস এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। স্থানীয়ভাবে কাজটি পরিচালনা করছেন খাগড়াছড়ির ঠিকাদার রাজিব নন্দি।

প্রকল্পের আওতায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এইচডি ক্যামেরা, মনিটর, ক্যাবল, কোর ক্যাবল, মেমোরি, পাওয়ার সাপ্লাইসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহারের কথা রয়েছে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম জানান, প্রকল্পের আওতায় এরই মধ্যে প্রায় ৯০টি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় প্রায় ৫ কোটি টাকা।

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন রয়েছে। নির্ধারিত মানের ক্যাবল, পাওয়ার সাপ্লাই, মাউন্টিং সরঞ্জাম ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই বড় অঙ্কের বিল উত্তোলনের অভিযোগও করেছেন তাঁরা।

অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার আগেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রায় ২ কোটি টাকা বিল উত্তোলন করেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।

ঠিকাদার রাজিব নন্দি দেশের বাইরে থাকায় তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার শুভ্র জানান, এখন পর্যন্ত ৯৫টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। তিনি দুই কোটি টাকা বিল উত্তোলনের বিষয়টি স্বীকার করলেও এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। তিনি রানিং বিল হিসেবে দুই কোটি টাকা উত্তোলনের কথা জানলেও কাজের অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি দুদকের মাধ্যমে তদন্ত করা প্রয়োজন।

৪১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন