সর্বশেষ

সারাদেশ

বোয়ালমারীতে বিএনপির সম্মেলনে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত ৫

আবিদ জামান, ফরিদপুর
আবিদ জামান, ফরিদপুর

শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬ ৭:১৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রূপাপাত ইউনিয়ন বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন শুরুর আগে সভাপতি পদে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হন। পরে স্থানীয় ও উপজেলা বিএনপির নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
ফরিদপুর ম্যাপ

বুধবার বিকেলে বোয়ালমারী উপজেলার রূপাপাত ইউনিয়নের সুতালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদে সাবেক সভাপতি আবুল কালাম মিয়া এবং উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. বিশু মোল্লা প্রার্থী হিসেবে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সম্মেলন শুরুর আগে বিকেল তিনটার দিকে তাঁদের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তা হাতাহাতি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং মারামারিতে রূপ নেয়।

এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হন। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে উপস্থিত নেতারা উভয় পক্ষকে শান্ত করলে সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু হয় এবং নির্ধারিত কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সভাপতি প্রার্থী মো. বিশু মোল্লা বলেন, সম্মেলনের মূল আয়োজন বিদ্যালয়ের কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাঁর দাবি, বাইরে কিছু যুবকের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আবুল কালাম মিয়া অন্য ইউনিয়ন থেকে সমর্থক এনেছিলেন এবং তাঁদের সঙ্গে স্থানীয়দের বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।

অন্যদিকে আবুল কালাম মিয়া বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবকের কারণে সামান্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলেও সম্মেলন সফলভাবে শেষ হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা জানান, সম্মেলন শুরুর আগে দুই সভাপতি প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং পরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম। এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহাসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলন শেষে নতুন ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম জানান, বোয়ালমারী পৌরসভাসহ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের কমিটি একযোগে ঘোষণা করা হবে। এ লক্ষ্যে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আগ্রহী প্রার্থীদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।

১১৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন