সর্বশেষ

জাতীয়

মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ, ব্যাখ্যা দিল প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের হলফনামায় উল্লেখিত সম্পদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও রাইস মিল বিক্রির তথ্য নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব দিয়েছে তার দপ্তর। সম্পদের তথ্য আংশিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে দাবি করে স্বচ্ছ অবস্থান তুলে ধরার কথা জানিয়েছে দপ্তর।
মীর শাহে আলম

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে তার দপ্তর। মঙ্গলবার প্রতিমন্ত্রীর তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম ফয়সালের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বার্থের সংঘাত এড়াতে তিনি পারিবারিক ব্যবসার মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা থেকে লিখিতভাবে সরে দাঁড়ান। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার, পরিচালনা ও মালিকানার দায়িত্ব পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে এসব ব্যবসা পরিবারের সদস্যরাই পরিচালনা করছেন।

দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মীর শাহে আলমের হলফনামায় ১২টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য উল্লেখ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—রোমা অটো রাইস মিল, রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেড, রূপসী ফ্লাওয়ার মিল, মীর সীমান্ত-দিগন্ত ফিলিং স্টেশন, মীর লাবনী-সুনাত ফিলিং স্টেশন, মীর দিগন্ত ট্রেডিং এজেন্সি, উত্তর বাংলা ওভারসিজ লিমিটেড, রূপসী কৃষি খামার, রূপসী মৎস্য খামার, রূপসী কংক্রিট ব্রিকস ফ্যাক্টরি, রূপসী মিনি কোল্ড স্টোরেজ ও রূপসী প্রাণী খামার।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যবসার পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে জাতীয় নির্বাচনের আগে পরিবারের মালিকানাধীন রোমা অটো রাইস মিল ৪২ কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়। নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে এ বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে। বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা এলাকার ব্যবসায়ী রবিউল আলম মিলটি কিনেছেন এবং ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মালামালসহ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

দপ্তরের দাবি, একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে হলফনামার তথ্য পুরোপুরি উপস্থাপন করা হয়নি। সেখানে এক হাজার ৮২৪ শতাংশ জমি ও ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য থাকলেও প্রতিবেদনে মাত্র ৩১ শতাংশ জমির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মীর শাহে আলমের নামে নতুন করে ২৪২ শতাংশ জমি কেনার যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, সেটিও সঠিক নয় বলে দাবি করেছে তার দপ্তর। তাদের ভাষ্য, ওই জমি ব্যক্তিগত নামে নয়, বরং রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেডের নামে কেনা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে তার ব্যক্তিগত কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

১২৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন