সরিষাবাড়ীতে ২ গ্রাহকের মৃত্যুর পর বেস্ট ইসলামী লাইফের বীমা পরিশোধ
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬ ৫:২৯ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির দুই গ্রাহকের মৃত্যুর পর তাঁদের পরিবারের আর্থিক সহায়তায় দ্রুত বীমা দাবির টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। সোমবার পোগলদিঘা ইউনিয়নের মুনারপাড়া এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই নমিনির হাতে মোট ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার দুটি চেক তুলে দেওয়া হয়।
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের মুনারপাড়া এলাকায় বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির উদ্যোগে বীমা দাবি নিষ্পত্তির চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে মরহুম দুই গ্রাহক শিউলী বেগম ও লিটন মিয়ার মনোনীত নমিনিদের হাতে যথাক্রমে ৮০ হাজার টাকা ও ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার দুটি চেক দেওয়া হয়।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশীদ ফকির। তিনি উপস্থিত থেকে নমিনিদের হাতে চেক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সরিষাবাড়ী আরামনগর শাখার ইনচার্জ মো. রিপন মিয়া। এতে বক্তব্য দেন কোম্পানির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম হাসান জামাল, ঘাটাইল সদর জোনাল ইনচার্জ মো. শিবলু মিয়া, জামালপুর জোনাল অফিসের জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ) মো. আল আমিন এবং সরিষাবাড়ী আরামনগর শাখার জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ) মো. রাকিব হাসানসহ অনেকে।
বক্তব্যে বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম হাসান জামাল বলেন, গ্রাহকদের দুর্দিনে পাশে থাকাই বীমা প্রতিষ্ঠানের মূল দায়িত্ব। তিনি বলেন, বীমা শুধু একটি চুক্তি নয়, এটি পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার একটি মাধ্যম। গ্রাহকের আস্থা ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবি পরিশোধ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রাহকের মৃত্যুর পর এই অর্থ শোকাহত পরিবারকে ভবিষ্যতের পথ চলায় কিছুটা সহায়তা করবে।
চেক গ্রহণের পর মরহুম শিউলী বেগমের স্বামী আবেগাপ্লুত হয়ে বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তাঁর স্ত্রী কষ্ট করে বীমা করেছিলেন। কয়েকটি কিস্তি দেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়। কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই দ্রুত বীমার টাকা পাওয়ায় পরিবারটি নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পেয়েছে।
কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, শিউলী বেগম ও লিটন মিয়া কয়েক বছর আগে বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে জীবন বীমা পলিসি গ্রহণ করেছিলেন। তাঁদের মৃত্যুর পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হলে যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুততম সময়ে বীমা দাবির অর্থ তাঁদের মনোনীত নমিনিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
১০৭ বার পড়া হয়েছে