ডা. জুবাইদার জন্মবার্ষিকীতে বগুড়ায় শিশু হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬ ৯:৪৪ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের বহিঃবিভাগ ও আন্তঃবিভাগের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বুধবার সকালে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হাসপাতালটির বহিঃবিভাগ ও আন্তঃবিভাগের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকেরা জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান একজন খ্যাতিমান চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। শিশুদের চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা একেএম মাহবুবুর রহমান, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন এবং বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আহসানুল তৈয়ব জাকির। এ ছাড়া রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিকিৎসা অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সরকার স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। শিশুদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাধারণ মানুষের জন্য বিনা মূল্যে হৃদরোগবিষয়ক চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে হৃদরোগ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সুস্থ জীবনযাপনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
বক্তারা বলেন, শিশুস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। এ ধরনের কার্যক্রম জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
১১৬ বার পড়া হয়েছে