তৃণমূল উন্নয়ন অগ্রগতিতে সরকার কাজ করছে: এসডিজি মুখ্য সমন্বয়ক
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬ ১০:১৩ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল বলেছেন, দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন সরকারের সময়কালীন নীতি ও কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতির উন্নয়ন। সেই ধারাবাহিকতায় খাল খনন কর্মসূচি, তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং “নতুন কুঁড়ি” স্পোর্টসের মতো বিভিন্ন উদ্যোগ দেশের উন্নয়নে অবদান রেখেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ড. আওয়াল আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময়কালে ১৯৯১ সালে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) চালু এবং নারী শিক্ষায় বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে একাধিক “সিগনেচার প্রোগ্রাম” গ্রহণ করা হয়েছে।
রবিবার (০৭ জুন) ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সিগনেচার কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) জন কেনেডি জাম্বিল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোঃ কামরুল হাসান এবং বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ গোলাম মোস্তফাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সভায় “সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যের আলোকে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ (২৫ কোটি গাছ), নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেম, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, কর্মমুখী শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষি উন্নয়ন কার্যক্রম।
এছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং কৃষিপণ্য, চামড়া ও ইলেকট্রনিকস খাতে রপ্তানি সম্প্রসারণকে সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
ড. আওয়াল বলেন, “তৃণমূল পর্যায়ের বাস্তব অবস্থা পর্যালোচনা করতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। জনগণের সঙ্গে সংযোগ বাড়িয়ে কার্যকর উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, সিগনেচার প্রোগ্রামগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে।
১৯১ বার পড়া হয়েছে