মহিপুর থানাকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ঘোষণার দাবিতে সমন্বয় সভা
বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬ ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য বন্দর, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন এবং পর্যটন অধ্যুষিত এলাকা মহিপুর থানাকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা হিসেবে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২ জুন) বিকেলে মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে স্থানীয় সুধীসমাজ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি ও সমাজসেবক আব্দুল জলিল হাওলাদার। সঞ্চালনা করেন থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মহিপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. ফজলু গাজী, ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা হেদায়েত উল্লাহ, লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কলিমুল্লাহ, মহিপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান প্যাদা, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, মহিপুর-আলীপুর দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র এবং উপকূলীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। একই সঙ্গে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের প্রবেশদ্বার হিসেবে মহিপুরের কৌশলগত গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এছাড়া মহিপুর থানার আওতাধীন মহিপুর সদর, ডালবুগঞ্জ, লতাচাপলী ও ধুলাসার ইউনিয়ন, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন, বন বিভাগ, কোস্ট গার্ড স্টেশন এবং পর্যটন এলাকার বিস্তৃত প্রশাসনিক কার্যক্রম ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী মহিপুরকে উপজেলা ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছেন।
সভায় বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, পটুয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে মহিপুর থানাকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলায় উন্নীত করার অঙ্গীকার করেছিলেন। স্থানীয় জনগণ আশা করছেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে মহিপুরকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করবে।
সমন্বয় সভা থেকে মহিপুরকে উপজেলা বাস্তবায়নের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সরকারের উচ্চপর্যায়ে স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
সভায় চার ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, জেলে প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
১৪২ বার পড়া হয়েছে