সর্বশেষ

পশ্চিমবঙ্গ

পশ্চিমবঙ্গসহ চার রাজ্য ও পুদুচেরিতে ভোট গণনা শুরু, উত্তেজনা চরমে

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

সোমবার, ৪ মে, ২০২৬ ৪:০৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিট) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণনা কার্যক্রম শুরু হয়। ফলাফল ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে তীব্র উত্তেজনা ও জল্পনা-কল্পনা।

এই নির্বাচনী পর্বে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরালা, আসাম এবং পুদুচেরিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন সবার নজর চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে, যা নির্ধারণ করবে কোন রাজ্যে কোন দল সরকার গঠন করবে।

পশ্চিমবঙ্গে মোট ২৯৪টি আসনে ভোট হয়েছে। সেখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র মধ্যে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যটিতে বিজেপির দীর্ঘদিনের দুর্বল অবস্থান এবং সাম্প্রতিক ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্ক নির্বাচনকে আরও জটিল করে তুলেছে। অভিযোগ রয়েছে, ‘এসআইআর’ অভিযানের মাধ্যমে প্রায় ৮৯ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, যা মোট ভোটারের প্রায় ১১.৬ শতাংশ—এটি ২০২১ সালের জয়ের ব্যবধানের চেয়েও বেশি।

তামিলনাড়ুতে ২৩৪টি আসনে ভোট হয়েছে। সেখানে শাসক দল ডিএমকে নেতৃত্বাধীন জোট, এআইএডিএমকে জোট এবং অভিনেতা বিজয়ের নতুন রাজনৈতিক দল টিভিকে—এই তিন পক্ষের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে।

কেরালার ১৪০ আসনে লড়াই মূলত বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এলডিএফ) এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ-এর মধ্যে। যদিও এক্সিট পোলের পূর্বাভাসে ইউডিএফ এগিয়ে থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে, তবে চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

আসামে ১২৬টি আসনে বিজেপি টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। অন্যদিকে পুদুচেরির ৩০ আসনে অল ইন্ডিয়া এনআর কংগ্রেস (এআইএনআরসি) আবারও সরকার গঠনের চেষ্টা করছে।

ভোট গণনার প্রক্রিয়ায় প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা করা হচ্ছে, এরপর ধাপে ধাপে ইভিএমের ফলাফল প্রকাশ করা হবে। সব ব্যালট ও মেশিন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ‘স্ট্রং রুমে’ সংরক্ষিত ছিল। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরাও আলাদা নজরদারিতে ছিলেন।

গণনাকেন্দ্রে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রবেশকারীদের কিউআর কোডযুক্ত পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে, শুধুমাত্র নির্বাচনী কর্মকর্তারাই মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন।

ধারণা করা হচ্ছে, দুপুরের মধ্যেই ফলাফলের একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে। তবে কিছু আসনের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ফল জানতে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইভিএম কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ গণনার জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

১১৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন