সর্বশেষ

সারাদেশ

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে মেয়রকে প্রধান করে সমন্বয় কমিটি গঠন  

হাসান ফেরদৌস, চট্টগ্রাম
হাসান ফেরদৌস, চট্টগ্রাম

বৃহস্পতিবার , ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ৯:৫২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনকে প্রধান করে ১৯ সদস্যের একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে পানিতে তলিয়ে থাকা বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ তথ্য জানান।

এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম এবং খাল সংস্কার প্রকল্প পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে খাল খনন, ডাইভারশন, রেগুলেটর স্থাপন এবং সড়ক উন্নয়নকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সিডিএ চেয়ারম্যান, সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নগর সরকার ব্যবস্থা এখনো কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয় হলেও বর্তমান বাস্তবতায় মেয়রের নেতৃত্বে গঠিত সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে সব সংস্থার সমন্বয়ে ভবিষ্যতে চট্টগ্রামবাসী স্থায়ীভাবে স্বস্তি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অগ্রগতি, ব্যয় বৃদ্ধি এবং সময় বৃদ্ধির বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন ধাপের তথ্য সরকারের কাছে রয়েছে। কোথায় কী কারণে ব্যয় বেড়েছে বা জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রকল্পের মেয়াদ বাড়তে পারে এমন ইঙ্গিত দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বাকি কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে খাল সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ৩৬টি খাল চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, সৌন্দর্যবর্ধন, ওয়াকওয়ে সচল রাখা এবং খালে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার জন্য নেটিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খাল হস্তান্তরের পর এক বছর সেনাবাহিনী ও সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, বিগত সরকারের আমলে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), সিটি কর্পোরেশন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ শুরু করে। প্রায় চার বছর অতিক্রান্ত হলেও প্রকল্পের সুফল এখনো চট্টগ্রামবাসী পায়নি। বরং অল্প বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা কোমর পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন