সর্বশেষ

সারাদেশ

ফতুল্লায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কার্যালয়ে ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬ ২:৫১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বিএনপির সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় কার্যালয় থেকে নগদ অর্থ লুট এবং আশপাশের যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

শনিবার (রাত ১১টা) ফতুল্লা থানার পূর্ব সস্তাপুর এলাকায় ঢাকা–নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে অবস্থিত ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন মোহাম্মদ সুজন ওরফে এস কে শাহীন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পূর্ব শত্রুতার জেরে কুতুবআইলের রবিন ওরফে ‘পিস্তল রবিন’, মিঠু, রবিনের ভায়রা খান, কিস্তি ওয়াসিম, বাপ্পি, রোহান, সোহেল ও মুন্নাসহ ১৮–২০ জন সন্ত্রাসী রাত ১১টার দিকে তালাবদ্ধ কার্যালয়ে হামলা চালায়। তারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং কার্যালয়ে থাকা প্রায় ১০ লাখ টাকা লুট করে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় সিসিটিভি ক্যামেরাও ভেঙে ফেলা হয়।

হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় আশপাশে থাকা ৮–১০টি ওষুধের পিকআপ ভ্যান ও একটি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করে। পাশাপাশি শর্টগান দিয়ে আনুমানিক ১২–১৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় সন্ত্রাসীরা মাথা ও মুখ কাপড়ে ঢেকে রেখেছিল।

অভিযোগে দাবি করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পরিস্থিতি অবনতির সুযোগে অভিযুক্তরা থানা থেকে অস্ত্র লুট করে। সেই লুট করা অস্ত্র ব্যবহার করেই স্বেচ্ছাসেবক দলের কার্যালয়ে হামলা চালানো হয় এবং এস কে শাহীনকে হত্যার উদ্দেশ্য ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহীন মোহাম্মদ সুজন ওরফে এস কে শাহীন বলেন, “রাতে বাসায় খাবার খাওয়ার সময় একাধিক গুলির শব্দ শুনি। কিছুক্ষণ পর ফোনে জানতে পারি আমাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলা হয়েছে। পরে সন্ত্রাসীদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করে থানা পুলিশকে অবহিত করি। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। আমি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

হামলার খবর পেয়ে রাতেই বিএনপি ও শরিক দলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মান্নান বলেন, “ঘটনার পরপরই হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। তারা আত্মগোপনে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।”

২২১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন