স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৩২৬৬ টাকা
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ৬:৫৮ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করে সংগঠনটি। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা। এক ভরি স্বর্ণের ওজন ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলঙ্কার বিনিময়ের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং অলঙ্কার কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। তবে বিনিময় ও কেনার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে।
এর আগে গত ৯ অক্টোবর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তখন ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা। ওই দামও সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৬২ দফা কমানো হয়েছে এবং এক দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।
১৯৩ বার পড়া হয়েছে