সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের সহ-সভাপতিসহ আহত ১০
রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬ ৪:৪০ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ঘোনা এলাকায় একটি কল রেকর্ডকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মনজুরুল আলম বাপ্পীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা এলাকায় একটি কল রেকর্ডকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মনজুরুল আলম বাপ্পী, তাঁর বড় ভাই রাজিব হোসেন, আব্দুর রকিব, বকুল হায়দার, জাহিদ হাসান, ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা সালাম, তহিদুল হোসেন ও মাহামুদুল হাসান। স্থানীয় ও দলীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, মোট আহতের সংখ্যা ১০ জন।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মনজুরুল আলম বাপ্পী বলেন, শনিবার রাতে তাঁদের কাছে একটি কল রেকর্ড আসে। তাঁর দাবি, ওই রেকর্ডে ঘোনা এলাকার ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হাসান ছাত্রদলের এক নেতা ও বিএনপিকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নয়ন নাজমুলের কাছে জানতে চাইলে তাঁকে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন বাপ্পী।
পরে খবর পেয়ে তিনি কয়েকজন ছাত্রদল নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। বাপ্পীর অভিযোগ, সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মী তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাঁকে মারধর করা হয়। এতে তিনি ও তাঁর সঙ্গে থাকা অন্যরা আহত হন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, একটি কল রেকর্ডকে কেন্দ্র করে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হোসেনকে আটকে রাখার ঘটনা ঘটে। পরে জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মনজুরুল আলম বাপ্পীসহ ১০ থেকে ১৫ জন নেতা-কর্মী সেখানে গেলে তাঁদের ওপর হামলা হয়। তাঁদের দাবি, ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতা মো. নাজমুল হাসান ও তাঁর বাবা লাল্টু মেম্বারের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়।
তবে এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জে এম দুদায়েভ মাসুদ খান অর্ঘ্য হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি করেন।
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাহিদ হাসান ডাবলুও হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলার ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।
১২০ বার পড়া হয়েছে