সর্বশেষ

সারাদেশ

কুষ্টিয়ায় ৪০০ বোতল ফেনসিডিল ‘গায়েব’ করার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে

আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া
আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬ ১:১৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে উদ্ধার হওয়া ৪০০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ না দেখিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তেকালা পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজের বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে মাদক বহনকারীদের মামলা না দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই রোববার রাতে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ এলাকা থেকে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী ফেনসিডিলের একটি বড় চালান নিয়ে যাচ্ছিলেন। চালানটি গরুড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় পৌঁছালে তেকালা পুলিশ ফাঁড়ির টহল দলের মুখোমুখি হয়। এসআই ফিরোজের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে মাদক বহনকারীরা বস্তা ফেলে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে মারধর করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরবর্তীকালে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে, মামলা না দেওয়ার শর্তে আটককৃতদের ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের দাবি, উদ্ধারকৃত ৪০০ বোতল ফেনসিডিল পুলিশ হেফাজতে নিলেও থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি বা জব্দ তালিকা তৈরি করা হয়নি। এ ঘটনায় মাদক চোরাকারবারি মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত মাদকের মালিক ধর্মদহ এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর। ঘটনার রাতে তার সঙ্গে সুমন, আক্তার, গিয়াস ও মহন নামের আরও কয়েকজন সহযোগী উপস্থিত ছিলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাদক বহনকারী জানান, পুলিশ তাদের চারদিক থেকে ঘিরে ধরে মারধর করে এবং পরে মোটা অঙ্কের চুক্তির বিনিময়ে মামলা না দিয়ে ছেড়ে দেয় ও ফেনসিডিল নিয়ে চলে যায়।

এদিকে এসআই ফিরোজের বিরুদ্ধে নিয়মিত অর্থের বিনিময়ে সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারে সহযোগিতার অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা। তবে অভিযুক্ত উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, “ওই দিন কোনো মাদক উদ্ধার করা হয়নি। আমার বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগগুলো অসত্য ও বানোয়াট।”

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ৪০০ বোতল ফেনসিডিল গায়েবের বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন নাগরিকেরা।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন