সর্বশেষ

সারাদেশ

বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৮০ পরিবারের পাশে জহির'স ইংলিশ কেয়ার

মো. আরিফ, বান্দরবান 
মো. আরিফ, বান্দরবান 

রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬ ৭:০৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বান্দরবানের সদর উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের ক্রাইক্ষ্যং পাড়ায় আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে জহির'স ইংলিশ কেয়ার পরিবার। স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় পৌঁছে ৮০টি পরিবারের মধ্যে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
জহির'স ইংলিশ কেয়ারের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ

শনিবার সকালে আকস্মিকভাবে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বান্দরবানের সদর উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের ক্রাইক্ষ্যং পাড়ার সার্বিক পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার মধ্যেও সীমিত সময়ের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিকভাবে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেন জহির'স ইংলিশ কেয়ার পরিবারের স্বেচ্ছাসেবকেরা।

'মানুষ মানুষের জন্য' এই মানবিক চেতনা এবং 'Love & Compassion for Humanity' স্লোগানকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহ ও প্রস্তুত করা হয়। পরে একটি রিকশাযোগে স্বেচ্ছাসেবক দল দুর্গম ক্রাইক্ষ্যং পাড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়।

ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিতে গিয়ে তাঁদের টাউন হল পাড়ার পানিতে তলিয়ে যাওয়া সড়ক এবং কালাঘাটা নতুন ব্রিজসংলগ্ন প্লাবিত এলাকা অতিক্রম করতে হয়। পানিবন্দী সড়ক দিয়ে ত্রাণ বহন করা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে স্বেচ্ছাসেবকেরা শেষ পর্যন্ত বন্যাকবলিত এলাকায় পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত ৮০টি পরিবারের হাতে মানবিক সহায়তা তুলে দেন।

ত্রাণ তুলে দিচ্ছেন জহির'স ইংলিশ কেয়ার পরিবারের স্বেচ্ছাসেবকেরা

ত্রাণ পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেন। আয়োজকদের ভাষ্য, দুর্গম এলাকায় মানুষের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনাই ছিল তাঁদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

উদ্যোক্তারা জানান, পুরো কার্যক্রমটি ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। তবে স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিকতা, মানবিক দায়বদ্ধতা এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার কারণে সফলভাবে ত্রাণ বিতরণ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

তাঁরা আরও জানান, অনলাইন প্রফেশনাল ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থীর আর্থিক সহযোগিতা এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি সহায়তার জন্য মো. ঈশান, সিংমং, মো. আরিফ, জিকো, উমংসিং, সাংবাদিক ডেভিড, সাংবাদিক রিমন, কাজী জুয়েল ও কাউছারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং ইংরেজি ভাষার শিক্ষক ও প্রশিক্ষক জহিরুল হকের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বান্দরবানের দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেসব মানুষ এখনো প্রয়োজনীয় সহায়তা পাননি, তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর এই মানবিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

১২০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন