সর্বশেষ

সারাদেশ

মাগুরায় স্বর্ণালংকার ও প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাত করে চম্পট দম্পতি

রূপক আইচ, মাগুরা
রূপক আইচ, মাগুরা

সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬ ৯:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া ইউনিয়নের ঘাসিয়াড়া গ্রামের রাজবংশী পাড়ায় একই গ্রামের এক দম্পতির বিরুদ্ধে অন্তত ২০টি পরিবারের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ও প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত দম্পতি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর ভুক্তভোগীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

ধূর্ত দম্পতি

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘাসিয়াড়া গ্রামের স্বরজিৎ রায় ও তার স্ত্রী শিমু রায় বিভিন্ন কৌশলে একই গ্রামের অন্তত ২০টি পরিবারের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ও বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। অভিযুক্তরা প্রায় তিন মাস ধরে এলাকা থেকে গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।

ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আকিদুল ইসলাম থেকে ৫ লাখ টাকা, স্বর্ণালী সেন ও প্রমিলা রায়ের কাছ থেকে স্বর্ণালংকারসহ ২ লাখ টাকা করে, শিফালী সেন থেকে স্বর্ণালংকারসহ ১ লাখ টাকা এবং দিপালী বিশ্বাস, ঝর্না বিশ্বাসসহ আরও অনেকের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা এবং কয়েক ভরি স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন এনজিও ও সমবায় সমিতি থেকেও ঋণ নেওয়া হলেও তা পরিশোধ না করার অভিযোগ রয়েছে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে। এতে এনজিওগুলোও আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ভুক্তভোগীরা


ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের মধ্যে কেউ কেউ এনজিওর ঋণের দায়ে চরম চাপের মধ্যে পড়েছেন। কয়েকজন মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী আকিদুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন অজুহাতে তার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়। পরে আর টাকা ফেরত না দিয়ে অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। তিনি দ্রুত অর্থ ফেরতের দাবি জানান।

আরেক ভুক্তভোগী দিপালী বিশ্বাস বলেন, এনজিও থেকে ঋণ করিয়ে নেওয়ার পর সেই টাকা পরিশোধ না করায় এখন তিনি চরম ঋণের বোঝায় আছেন। তিনি অভিযুক্তদের বিচার দাবি করেন।

স্থানীয় সমবায় ও এনজিও কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত দম্পতির কারণে ঋণ ব্যবস্থাপনায় জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক ঝুঁকিতে পড়েছে।

এ বিষয়ে নাকোল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে যাওয়ায় তাদের অবস্থান নিশ্চিত না হওয়ায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন