সর্বশেষ

সারাদেশ

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলায় মনির হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম
স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম

বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬ ১০:৪২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত মনির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঘটনার মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে মামলার বিচারকাজ শেষ করে রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

মনির হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মনির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। বুধবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমা এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, মনির হোসেনের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায়। তিনি চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মিয়াখান নগরে বসবাস করতেন এবং চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকার একটি ডেকোরেটর প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন।

গত ২১ মে বিকেলে চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মনিরকে আটক করে। তবে তাঁকে থানায় নেওয়ার সময় স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ে পুলিশ। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার শেল নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ অন্তত ৪০ জন আহত হন এবং পুলিশের একটি ট্রাকে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর শিশুটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। পরে শিশুটির বাবা বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে গত ৪ জুন তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। মামলায় মোট ২২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছিল।

৯ জুন আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। পরদিন থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তিন কার্যদিবসে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে গত রোববার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। সোমবার আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় আসামি নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও তাঁর পক্ষে কোনো সাফাই সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়নি।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। পরদিন আদালত রায় ঘোষণা করেন। ফলে ঘটনার ২৫ দিনের মধ্যেই মামলাটির বিচারিক নিষ্পত্তি সম্পন্ন হলো।

১২০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন