সর্বশেষ

সারাদেশ

আদালতে সাংবাদিককে লাথি মারলেন বিআরটিএ কর্মকর্তা শাহ আলম

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল
স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬ ১১:৩০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এক মামলায় বরিশাল বিআরটিএর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
লাথি মারার মুহূর্তে বিআরটিএ সাবেক কর্মকর্তা শাহ আলম

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক শেখ ফারুক হোসেন তা নামঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন প্রদানের অভিযোগে গত বছর শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় তিনি পূর্বে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। সোমবার পুনরায় জামিন আবেদন করলে আদালত তা প্রত্যাখ্যান করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, আদালত প্রাঙ্গণ থেকে শাহ আলমকে কারাগারে নেওয়ার সময় তার ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এ সময় স্থানীয় একটি পত্রিকার ফটোসাংবাদিক আব্দুর রহমানের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। সাংবাদিকের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাহ আলম তাকে লাথি মারেন। ঘটনাটি পুলিশের সামনেই ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শাহ আলম

দুদক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শাহ আলম বিআরটিএর বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রাম কার্যালয়ে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে বরিশাল কার্যালয়ে ৩৪৪টি, ঝালকাঠিতে ৯৩৩টি এবং পিরোজপুরে ১,০৮১টি বাস ও ট্রাকের ভুয়া বা অনিয়মিত রেজিস্ট্রেশন অনুমোদনের অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের একটি দায়িত্বশীল সূত্র দাবি করেছে, গত আট বছরে বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনকালে প্রায় ২০ কোটি টাকার অনিয়ম ও আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে শাহ আলম বা তার আইনজীবীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২২ সালে বরিশাল বিআরটিএ কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে তিনি মার্চ থেকে অক্টোবরের মধ্যে ২৫৫টি যানবাহনের অসংগতিপূর্ণ রেজিস্ট্রেশন অনুমোদন করেন। পরে এ বিষয়ে তদন্তের জন্য বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তদন্ত চলাকালে একই বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে আরও ৮৯টি যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন অনিয়মের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন ও প্রশাসনিক নির্দেশনা লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী চলবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

১৫৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন