কাশিয়ানীতে মাঠ দিবসে বিনাধান-১০ চাষ সম্প্রসারণে কৃষকদের আহ্বান
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১:১৩ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল বোরো ধানের জাত বিনাধান-১০ এর চাষাবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বিনা উপকেন্দ্র গোপালগঞ্জ এ মাঠ দিবসের আয়োজন করে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে কাশিয়ানী উপজেলার ঘোনাপাড়া গ্রামে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. মামুনুর রহমান।
বিনা উপকেন্দ্র গোপালগঞ্জের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মো. হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ মাঠ দিবসে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাশিয়ানী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী এজাজুল করীম, বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৌরভ অধিকারী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জীবন কুমার ঘোষ এবং কৃষক মঞ্জু ফকির।
অনুষ্ঠানে বিনাধান-১০ চাষী মঞ্জু ফকির তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, বোরো ধান চাষের সময় তার এলাকার জমিতে লবণাক্ত পানি প্রবেশ করায় ধান চাষ করা সম্ভব হতো না। পরে তিনি বিনা উপকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিনাধান-১০ এর বীজ সংগ্রহ করেন। এ ধান চাষ করে তার জমিতে ভালো ফলন হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তিনি এ জাতের ধান চাষ অব্যাহত রাখবেন বলে জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. মামুনুর রহমান বলেন, গোপালগঞ্জ জেলায় বোরো ধানের আবাদ বেশি হলেও যেসব এলাকায় লবণাক্ততার সমস্যা রয়েছে, সেখানে বিনাধান-১০ অত্যন্ত কার্যকর। লবণাক্ত জমিতেও এ জাতের ধান ভালো ফলন দেয়। তাই তিনি কৃষকদের এ জাতের ধান চাষে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. হারুন অর রশিদ বলেন, বিনা উপকেন্দ্র কৃষকদের সহযোগিতায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিনাধান-১০ লবণাক্ততা সহিষ্ণু হওয়ায় এসব জমিতে এর ফলন ভালো হয়। প্রতি বিঘায় প্রায় ৪০ মণ ধান উৎপাদন সম্ভব। এ ধান থেকে বীজও উৎপাদন করা যায়, ফলে কৃষকের উৎপাদন খরচ কমে আসে এবং তারা লাভবান হন।
১১৮ বার পড়া হয়েছে