সর্বশেষ

জাতীয়

শিক্ষকদের অনশন কর্মসূচিতে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকে

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১:৩৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
২০ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা ও আরও দুই দফা দাবিতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে টানা আন্দোলন করছেন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।

অবস্থান কর্মসূচির পর গতকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে তারা অনশন শুরু করেছেন। সে হিসাবে প্রায় সাড়ে ২৬ ঘণ্টা অনশনে শিক্ষকরা। চলমান এই অনশনে শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর নাগাদ অন্তত পাঁচজন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

আন্দোলনরতদের মধ্যে বরিশালের ঝর্ণা গাইন ও শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

শিক্ষকরা দাবি করছেন, ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতার যৌক্তিকতা তুলে ধরলেও সরকার আপাতত ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে, যা তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রস্তাব দিলেও অর্থ মন্ত্রণালয় তার বেশি ভাতা মঞ্জুর করতে প্রস্তুত নয়।

অধ্যক্ষ আজিজী বলেন, “আমরা আপাতত ১০ শতাংশ এবং আগামী বাজেটে আরও ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছি, কিন্তু তাতেও সাড়া মিলছে না। শিক্ষকরা রাস্তায় মরছেন, অথচ কারও মন গলছে না।”

১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশে প্রায় ৩০ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। তিন দফা দাবির মূল বিষয়গুলো:

 

১. ২০% হারে বাড়িভাড়া ভাতা।
২. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাতীয়করণ।
৩. কর্মপরিবেশ উন্নয়ন। 

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়িভাড়া মাত্র ৫০০ টাকা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ৫ অক্টোবর শিক্ষক দিবসে সেই প্রজ্ঞাপন সামনে এলে তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এমনকি ওই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেন শিক্ষকরা। তারা বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ হারে দেওয়াসহ তিন দফা দাবিতে গত ১২ অক্টোবর প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন শিক্ষকরা। পরে বিকেলে তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নেন। এরপর থেকে সেখানে অবস্থান নিয়েই বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা।

 

৩১৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন