সর্বশেষ

জাতীয়আবু সাঈদ হত্যা মামলা : ৯ এপ্রিল ঘোষণা করা হবে রায়
এবারের ঈদে টানা ৭ দিনের ছুটি : মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত
শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে আজ ৩৪ ফ্লাইট বাতিল
সারাদেশজকিগঞ্জে সড়ক থেকে ইট উধাও, ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ
খুলনার ডাকবাংলা মোড়ে বাটার দোকানে গুলি করে ব্যবসায়ী হত্যা
আন্তর্জাতিকইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ৩ থেকে ৮ সপ্তাহ চলতে পারে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরানে স্থল অভিযানে কুর্দি যোদ্ধারা, যুদ্ধের ষষ্ঠ দিনে নতুন মাত্রা
ইরানে নেতৃত্ব পরিবর্তন: আয়াতুল্লাহ খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি এগিয়ে
খেলাসাকিব আল হাসানের মাঠে ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল, পদক্ষেপ নিচ্ছে বিসিবি
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ দক্ষিণ আফ্রিকা না নিউজিল্যান্ড, ইডেনে আজ হাসবে কারা
রাজনীতি

সোহাগ হত্যায় আসামির নাম পরিবর্তনের পেছনে কারা জড়িত : যুবদল সভাপতি

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫ ৯:৫৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ সোহাগ (৩৯) হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলায় প্রকৃত আসামিদের বাদ দিয়ে নতুন তিনজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।

সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, ঘটনার প্রকৃত নেপথ্য কাহিনি উদঘাটনে সরকারের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে।

শনিবার (১২ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সেখানে যুবদল সভাপতি বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নাম সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেলেও মামলায় তারা প্রধান আসামি হয়নি। বরং পরিবারের দেওয়া তিনটি নাম বাদ দিয়ে নতুন করে তিনজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি কেন হলো, কার ইশারায় হলো— তা জানতে চাই।”

তিনি অভিযোগ করেন, “ঘটনার পর ৬০ ঘণ্টার বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও খুনিদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। অথচ সিসিটিভি ফুটেজসহ খুনের স্পষ্ট প্রমাণাদি পুলিশের হাতে আছে। এটি একটি রহস্য। কেন প্রকৃত খুনিরা গ্রেপ্তার হচ্ছে না, তা প্রশাসনকেই ব্যাখ্যা করতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে নিহত লাল চাঁদের পরিবারের বরাত দিয়ে যুবদল সভাপতি আরও জানান, “পরিবারের পক্ষ থেকে যাদের আসামি করা হয়েছিল, তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। অথচ যারা ভিডিও ফুটেজে আঘাত করতে দেখা গেছে, তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা জরুরি।”

যুবদল সভাপতি জানান, “ঘটনায় দলীয়ভাবে দায় অস্বীকার না করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পাঁচজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত এক বছরেই হাজারো নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।”

এ সময় দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোনায়েম মুন্না বলেন, “গতকাল খুলনায় যুবদলের বহিষ্কৃত এক নেতাকে গুলি করে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে। আবার চাঁদপুরে এক ইমামের ওপর হামলা চালানো হয়েছে খুতবা দেওয়ার সময়। এটি একটি গোষ্ঠীর রাজনৈতিক সহিংসতার ধারাবাহিকতা।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “একটি বিশেষ গোষ্ঠী প্রশাসনের ব্যর্থতাকে ঢেকে দিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিবৃতি ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছে।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান।

৩৯৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
রাজনীতি নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন