সর্বশেষ

জাতীয়

রাড্ডা সেন্টারে ফিরল নিজস্ব সাইনবোর্ড, পুলিশি প্রহরায় চলছে টিকাদান

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৭:০৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের কয়েক দিন পর প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব সাইনবোর্ড আবার টানানো হয়েছে। সোমবার সকালে হামলার পর লাগানো অন্য সাইনবোর্ড সরিয়ে ক্লিনিকটিকে দখলমুক্ত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে সংস্কারকাজের পাশাপাশি টিকাদান ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমও চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মীরা।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ক্লিনিক-সংশ্লিষ্টরা রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলার পর টানানো সাইনবোর্ডটি সরিয়ে দেন। পরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটির নিজস্ব সাইনবোর্ড সেখানে পুনরায় টানিয়ে দেওয়া হয়।

হামলা ও ভাঙচুরের ক্ষত না শুকাতেই প্রতিষ্ঠানটির ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন অংশে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। কর্মীরা ভবনের বিভিন্ন অংশ মেরামতের কাজ করছেন। তবে এতে চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়নি। ক্লিনিকের ভেতরে স্বাস্থ্যকর্মীরা অবস্থান নিয়ে সেবা দিচ্ছেন। পাশাপাশি বাইরে চেয়ার-টেবিল বসিয়েও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, হামলার পর তাদের প্রতিষ্ঠানের জায়গায় ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর নামে একটি সাইনবোর্ড টানানো হয়েছিল।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। লুট হওয়া দুই ট্রাক মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ঘটনার পর শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এদিকে, ভাঙচুর ও লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে পুলিশি প্রহরায় টিকাদান কার্যক্রম চলছে। ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই ছোট্ট শিশুদের নিয়ে সেখানে আসছেন অভিভাবকেরা।

ভাঙচুর ও লুটপাটে প্রতিষ্ঠানটির অনেক কিছুই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কর্মীরা ভাঙা ভবনের মধ্যে চেয়ার-টেবিল নিয়ে বসে স্বাস্থ্যসেবা পরামর্শ ও টিকাদান কার্যক্রম চালাচ্ছেন। অন্যান্য দিনের মতো সোমবারও সেখানে স্থানীয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ভিড় ছিল।

তবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ধ্বংসযজ্ঞের ভবনে গরমে শিশু, অভিভাবক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবাকর্মীরা বলেন, এভাবে টিকা দেওয়া কষ্টকর। তারপরও যথাসময়ে শিশুদের টিকা নিশ্চিত করতে ভাঙা ভবনের মধ্যেই টিকাদান কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শিশুদের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরও কষ্ট হচ্ছে।

১১৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০