সর্বশেষ

গণমাধ্যম

প্রথম আলোর ফটোসাংবাদিক কবিরের ওপর হামলা

বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর মাদবর গ্রেফতার, তদন্ত চলছে

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬ ৬:২০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা-এর লতব্দি ইউনিয়নে প্রথম আলোর ফিচার বিভাগের প্রধান ফটোসাংবাদিক কবির হোসেনকে কুপিয়ে ও তার ছোট ভাই তকবির হোসেনকে মারধরের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর মাদবরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
প্রথম আলোর ফিচার বিভাগের প্রধান ফটোসাংবাদিক কবির হোসেনকে কুপিয়ে ও তার ছোট ভাইকে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের একাংশ।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (গতকাল) দুপুরে দোসরপাড়া এলাকায় 'পদ্মহেম ধাম লালন বটতলা' নামক চর্চাকেন্দ্রের সীমানা নিয়ে চলমান বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন সাংবাদিক কবির হোসেন এবং তার ভাই তকবির হোসেন।

হাসপাতালের বিছানায় চিকিৎসাধীন প্রথম আলোর ফিচার বিভাগের প্রধান ফটোসাংবাদিক কবির হোসেন।

আহত কবির হোসেনকে প্রথমে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তার মাথা ও দাঁতে গুরুতর আঘাত থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে লতব্দি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর মাদবরকে আটক করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

কবির হোসেন আহত অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সে, পাশে তার ছোট ভাই আহত তকবির হোসেন।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক কবির হোসেন অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে লালন চর্চাকেন্দ্র দখল ও জমি নিয়ে চাপ সৃষ্টি করে আসছিল একটি প্রভাবশালী চক্র। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে এবং তার পরিবারকে লক্ষ্য করে একাধিকবার হুমকি দেওয়া হয় এবং শেষ পর্যন্ত হামলা চালানো হয়। আর এই হামলায় অংশ নেয়ং- জাহাঙ্গীর মাদবর, তাঁর ছেলে তৌহিদ মাদবর, জাহেদ মাদবর, আলাউদ্দিন মাদবর, শাহরিয়ার মাদবর, সংগ্রাম, সাহিল, আহম্মদ মাদবরসহ কয়েকজন।

এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপি জানিয়েছে, কোনো অপরাধীকে দলীয় পরিচয়ে ছাড় দেওয়া হবে না এবং ঘটনার তদন্ত শেষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ বলছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে এবং হামলায় জড়িত অন্যদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

২১৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
গণমাধ্যম নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন