সর্বশেষ

সারাদেশ

একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থির করতে চায়: মির্জা ফখরুল

মামুনুর রশীদ বাবু, নওগাঁ
মামুনুর রশীদ বাবু, নওগাঁ

শনিবার, ৯ মে, ২০২৬ ২:২১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
নওগাঁর আত্রাইয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী রয়েছে, যারা বিভিন্ন সময়ে সমাজকে অস্থির করে রাখার চেষ্টা করছে। তবে তিনি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি।

শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পতিসরে অবস্থিত পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়ি প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের রাজনীতি এখনো সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন হয়ে উঠতে পারেনি। বারবার মানুষ পরিবর্তনের আশায় আন্দোলন করেছে, জীবন দিয়েছে, কিন্তু প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা স্মরণ করে বলেন, “আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি—এটি সবার আগে মনে রাখতে হবে। নয় মাস যুদ্ধ করে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আবার গণতন্ত্রও সংগ্রামের মাধ্যমেই ফিরে পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ে আমাদের সন্তানেরা যে আন্দোলন করেছে, আমরা তাকে জুলাই যুদ্ধ বলি। সেই আন্দোলনের মাধ্যমে পরিবর্তন এসেছে, নতুন নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশাবাদী। ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গিয়েছিল, অর্থনীতি ও ব্যাংক খাত লুটপাট করেছে, প্রশাসনিক কাঠামো ধ্বংস করেছে। এখনো অনেকে ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে বিভ্রান্তি ও গোলযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমরা আর কোনো অস্থিরতা চাই না।”

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্ম ও দর্শন নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু সাহিত্যেই নয়, কৃষক ও গ্রামীণ উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। পতিসরে এসে কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে তিনি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং আধুনিক কৃষি পদ্ধতির প্রচলনে কাজ করেছিলেন। তিনি বলেন, “রবীন্দ্রনাথের কবিতা, গান, নাটক, গদ্য—সবক্ষেত্রেই ছিল অবাধ বিচরণ। ‘গীতাঞ্জলি’ দিয়ে তিনি বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদ। এসময় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে আবৃত্তি, রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত পতিসরজুড়ে দিনভর ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

১৬৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন