সর্বশেষ

সারাদেশ

একই কবরস্থানে চারজনের দাফন, সড়কে নিভে গেল মুফতি মমিনের পরিবার

আবদুর রহিম, নোয়াখালী
আবদুর রহিম, নোয়াখালী

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬ ৬:৪৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ঈদের আনন্দ শেষে ফেরার পথে কুমিল্লায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মুফতি আব্দুল মমিন, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তিতারকান্দি গ্রামে শ্বশুরবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি চারজনকে দাফন করা হয়। এর আগে স্থানীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। চারজনের একসাথে জানাজা ও দাফনের দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে স্তব্ধ করে দেয়।

পারিবারিক সূত্র জানায়, মুফতি আব্দুল মমিন ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া মোহাম্মদীয়া মাদ্রাসার প্রধান ছিলেন। ঈদের ছুটি কাটিয়ে পরিবারসহ গ্রামে এসেছিলেন। ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে ঢাকায় ফেরার পথে কুমিল্লার মিয়ামি হোটেল এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাস তাদের প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই গাড়িচালক নিহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মুফতি মমিন, তার স্ত্রী ঝরনা বেগম, ছেলে সাইদ আশরাদ ও মেয়ে লাবিকা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। তবে ১২ বছর বয়সী আরেক ছেলে আবরার গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসা শেষে নানাবাড়িতে রয়েছেন এবং মানসিকভাবে গভীর আঘাতগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছেন বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, একটি সুখী পরিবার মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে গেছে। তারা এই দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি দাবি করেছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা নিহতদের পরিবারের বাড়ি পরিদর্শন করে শোকাহত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। তাৎক্ষণিক দাফনের জন্য ২৫ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে ৫ লাখ টাকার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

১৮৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন