পঞ্চগড়ে জমজমাট কেনাকাটা, কাপড়ের বাজারে উপচে পড়া ভিড়
বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬ ৬:৫০ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই জেলা শহরের বিভিন্ন মার্কেট, শোরুম ও ফুটপাতের দোকানগুলোতে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়।
জেলা শহরের খ্যাতনামা ব্র্যান্ডের পোশাকের শোরুম থেকে শুরু করে ফুটপাতের কাপড়ের দোকান—সব জায়গাতেই এখন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পোশাক বিক্রির বিপণি বিতানগুলোতে ভিড় বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এবারের ঈদ গরমের শুরুতে হওয়ায় অধিকাংশ ক্রেতা দেশি-বিদেশি সুতি ও পাতলা জর্জেট কাপড়ের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে এসব কাপড়ের চাহিদা বাজারে বেশি দেখা যাচ্ছে।
ঈদ উপলক্ষে এবার বেশ কিছু নতুন ডিজাইনের পোশাক বাজারে এনেছে পারপেল, ফ্যামিলি ফ্যাশন, ইমা গার্মেন্টস ও শম্পা গার্মেন্টসহ কয়েকটি তৈরি পোশাকের শোরুম। এছাড়া ছোট শিশুদের সুতি পোশাক নিয়ে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া ‘বেবিশপ’।
এদিকে অন্যান্য কাপড়ের দোকানগুলোতেও সমানতালে বিক্রি হচ্ছে শাড়ি, থ্রিপিস ও বিভিন্ন ধরনের তৈরি পোশাক।
শহরের ঘাটিয়ারপাড়া এলাকার সহকারী অধ্যাপক সেলিনা আক্তার জানান, এবারের ঈদের জন্য তিনি সুতি ও উন্নত নকশার পাকিস্তানি জর্জেট কাপড় কিনেছেন। তার মতে, কাপড়ের দাম তেমন একটা বাড়েনি।
অন্যদিকে শহরের ডোকরোপাড়া এলাকার সোনালী ও আসফি জানান, তাদের কাপড় কেনাকাটা শেষ হয়েছে। এখন তারা মানানসই জুতো ও কসমেটিকস কেনার পরিকল্পনা করছেন।
শারজা বস্ত্র বিতানের বিক্রেতা আব্দুল্লাহ বলেন, এবারের ঈদে দেশি কাপড়ের পাশাপাশি পাকিস্তানি সুতি ও জর্জেট কাপড়ের থ্রিপিসের চাহিদা অনেক বেশি। এছাড়া শার্ট, প্যান্ট ও পাঞ্জাবিও ভালো বিক্রি হচ্ছে।
পঞ্চগড় বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমানুল্লাহ জানান, এবারের ঈদে জেলায় একশ কোটি টাকারও বেশি কাপড় বিক্রি হতে পারে। তার মতে, শুধু জেলা শহরের ১৮৫টি কাপড়ের দোকানেই প্রায় ৫০ কোটি টাকার বেশি বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে ঈদকে ঘিরে শহরের টেইলার্স দোকানগুলোতেও এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন পোশাক শ্রমিকরা। ক্রেতাদের পছন্দের পোশাক তৈরি করতে তারা দিন-রাত অতিরিক্ত কাজ করছেন।
পোশাক তৈরির কারিগর সোহেল বলেন, ঈদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে তারা অনেক সময় মধ্যরাত পর্যন্ত কাজ করছেন। ইমরান টেইলার্সের মালিক ইমরান জানান, ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পোশাক তৈরি করতে ১৫ রমজানের পর থেকেই তিনি নতুন অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।
১২৮ বার পড়া হয়েছে