বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ
রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ৭:১৫ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
আজ ১৯ জানুয়ারি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের ৯০তম জন্মবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি দুই দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
১৯৩৬ সালের এই দিনে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীতে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। তাঁর পিতা ছিলেন খ্যাতিমান রসায়নবিদ মনসুর রহমান এবং মাতা জাহানারা খাতুন রানী। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। পারিবারিকভাবে তাঁর ডাকনাম ছিল কমল।
১৯৫৩ সালে জিয়াউর রহমান তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার এবং তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে জেড ফোর্স, যা স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ও কার্যকর একটি বাহিনী হিসেবে পরিচিতি পায়।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একই বছরের ২৫ আগস্ট তিনি সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ৭ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন জিয়াউর রহমান। ১৯৭৬ সালের ২৯ নভেম্বর তিনি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। তবে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিপথগামী একদল সেনাসদস্যের হাতে তিনি নিহত হন।
জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বেলা ১১টায় শেরেবাংলা নগরে শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলীয় নেতাকর্মীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন। আগামীকাল সোমবার বেলা ১১টায় কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর মাল্টিপারপাস মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও দেশের বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখবেন।
এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। পাশাপাশি জেলা, মহানগর, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, শহীদ জিয়া ছিলেন একজন স্বপ্নদ্রষ্টা রাষ্ট্রনায়ক। তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের প্রবক্তা।
তিনি আরও বলেন, সংকটকালে দেশকে পথ দেখানোর ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমান ছিলেন এক অনন্য দিশারি, যিনি রণনায়ক হিসেবে দেশবাসীর শ্রদ্ধা ও সম্মান অর্জন করেছেন।
১৮৭ বার পড়া হয়েছে