সর্বশেষ

জাতীয়চলছে ইসিতে মনোনয়ন আপিল শুনানি, আজ ১৪১-২১০ নম্বর নিষ্পত্তি
সারাদেশচাঁদাবাজির প্রতিবাদে সৈয়দপুরে টানা ৩ দিন মাছের বাজার বন্ধ
রাঙামাটির লংগদুতে ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয়ে চাঁদাবাজি, চার যুবক আটক
আন্তর্জাতিকইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলনে সহিংসতা চরমে, নিহত ৫ শতাধিক
নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ঘোষণা ট্রাম্পের, বিশ্বে তীব্র আলোচনা
ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত ট্রাম্পের, পাল্টা হুমকি তেহরানের
খেলারংপুরকে আবারও হারাল রাজশাহী, পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে ওয়ারিয়র্স
আন্তর্জাতিক

পাবজি আসক্তি: ৪ হত্যার দায়ে কিশোরের ১শ' বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার , ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ৬:০৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
জনপ্রিয় অনলাইন গেম পাবজি-তে আসক্তি চূড়ান্ত পরিণতি টানল এক কিশোরের জীবনে।

মা, ভাই ও দুই বোনকে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যার দায়ে লাহোরের একটি সেশন কোর্ট থেকে ১০০ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছে আলি জাইন নামের ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) লাহোরের অতিরিক্ত জেলা ও সেশন জজ রিয়াজ আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আদালত চারটি পৃথক হত্যাকাণ্ডের জন্য চারটি যাবজ্জীবন দণ্ড প্রদান করেন, যা মিলিয়ে মোট ১০০ বছরের সাজা। বয়স বিবেচনায় মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পেলেও, আসামিকে ৪০ লাখ রুপি অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

লাহোরের কাহনা এলাকায় ২০২২ সালের জানুয়ারিতে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ঘটনার সময় আলি জাইনের বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। তদন্তে উঠে আসে, গেম খেলার সময় একাধিকবার পরাজিত হয়ে মানসিকভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে সে।

ঘটনার রাতে, ঘরে বসে দীর্ঘ সময় ধরে পাবজি খেলার পর হঠাৎ ক্ষোভে ফেটে পড়ে আলি। এরপর মায়ের লাইসেন্স করা পিস্তল নিয়ে প্রথমে ঘুমন্ত অবস্থায় মাকে গুলি করে হত্যা করে। একে একে গুলি করে হত্যা করে ১৫ বছর বয়সী বোন মাহনূর ফাতিমা, ১০ বছরের ছোট বোন জান্নাত এবং ২০ বছর বয়সী ভাই তাইমুর সুলতানকে।

হত্যাকাণ্ডের পর পিস্তলটি বাড়ির পাশের একটি ড্রেনে ফেলে দিয়ে নিজ ঘরে ফিরে যায় আলি। এরপর এমন ভান করে যেন কিছুই জানে না এবং ঘটনার সময় সে ঘুমিয়ে ছিল।

তবে পুলিশের সন্দেহের তালিকায় প্রথম থেকেই ছিল আলি। ঘটনার পর তার আচরণে অসংগতির কারণে কয়েকদিন ধরে তাকে পর্যবেক্ষণ করে পুলিশ। অবশেষে তাকে গ্রেফতার করে এবং জিজ্ঞাসাবাদে নিজের অপরাধ স্বীকার করে সে।

মামলার বিচার চলাকালে প্রসিকিউটর হাবিবুর রহমান বিভিন্ন সাক্ষ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করেন। রায়ে বিচারক বলেন, “এ ঘটনা শুধুমাত্র একটি পারিবারিক হত্যাকাণ্ড নয়, বরং কিশোর বয়সে অনলাইন গেমের ক্ষতিকর প্রভাব কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তার জ্বলন্ত উদাহরণ।”

এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে নিহত হন—মা নাহিদ মুবারক (৪৫), যিনি পেশায় লেডি হেলথ ওয়ার্কার ছিলেন; বড় ছেলে তাইমুর সুলতান (২০), কন্যা মাহনূর ফাতিমা (১৫) এবং ছোট মেয়ে জান্নাত (১০)।

২৩৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন