মোংলা বন্দর
রাজস্ব আয়ে মোংলা বন্দরের নতুন রেকর্ড, আয় ছাড়াল ৩,৮৭৯ কোটি টাকা
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দর রাজস্ব আয়ে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে বন্দরটি লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ টাকার রেকর্ড রাজস্ব অর্জন করেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি। বন্দরের জাহাজ আগমন, কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং বৃদ্ধিসহ সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে এই অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে।
নাব্যতা ধরে রাখতে মোংলা বন্দরে ১৫৩৮ কোটি টাকার ড্রেজিং প্রকল্প শুরু
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা চ্যানেলের নাব্যতা ধরে রাখতে পশুর নদীতে শুরু হচ্ছে বিশাল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্প। ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ের এই বৃহৎ প্রকল্পটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আগামী ২০২৯ সাল পর্যন্ত পরিচালিত হবে। ইনার বার ড্রেজিংয়ের সফল সমাপ্তির পর বন্দরের গতিশীলতা বজায় রাখতেই এই সময়োপযোগী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় মোংলা বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত, কাজ বন্ধ খাদ্যবাহী জাহাজের
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে মোংলা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বন্দরে খাদ্যবাহী জাহাজের পণ্য খালাস কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। সাগর উত্তাল থাকায় মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মোংলা বন্দরে এল ভারত থেকে চাল আমদানির শেষ চালান
ভারত থেকে আমদানিকৃত ৫০ হাজার মেট্রিক টন চালের শেষ চালানটি মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে। ভিয়েতনামের পতাকাবাহী একটি বিশেষ জাহাজে করে আসা এই চালের নমুনা পরীক্ষা শেষে দ্রুত খালাস প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। সরকারি এই চাল আমদানির ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ খাদ্য মজুত আরও শক্তিশালী হবে।
মোংলা নদীতে ২৪ ঘণ্টা ফেরি চালু, উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী
মোংলা নদীতে দীর্ঘদিনের ফেরি সংকট ও যাতায়াত দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে এবার চালু হয়েছে সার্বক্ষণিক (২৪ ঘণ্টা) দুইটি ফেরি সার্ভিস। নতুন এ ব্যবস্থায় মোংলা বন্দর, ইপিজেডসহ আশপাশের এলাকার শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত আরও সহজ ও দ্রুত হবে।
৯৯২ কোটি টাকার মেগা ড্রেজিং শেষ হচ্ছে মোংলা বন্দরে, নাব্যতা নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা
দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছরের নানা জটিলতা পেরিয়ে অবশেষে শেষ হতে চলেছে মোংলা বন্দরের ইনার বার ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ। প্রায় ৯৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে পশুর চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধি পেলেও পলি জমার আশঙ্কায় পুরোপুরি কাটছে না বন্দর ব্যবহারকারীদের উদ্বেগ। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছে, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে চ্যানেলের কার্যকারিতা সচল রাখা হবে।