পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষা ও উন্নয়নের অনন্য দৃষ্টান্ত অধ্যাপক থানজামা লুসাই
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬ ৭:০৬ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় শিক্ষা, মানবিকতা ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল এক নাম অধ্যাপক থানজামা লুসাই।
পাহাড়ি লুসাই জনগোষ্ঠীর গর্বিত এই সন্তান কেবল একজন শিক্ষাবিদ হিসেবেই নয়, বরং মূল্যবোধ ও অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে অধ্যাপক ও অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর শিক্ষাদান পদ্ধতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষার বাইরে গিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিকতা, নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।
বর্তমানে তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগেও একই পদে থেকে তিনি দক্ষ প্রশাসক ও জনমুখী নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
বিশেষ করে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব পার্বত্য অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করেছে।
ব্যক্তিজীবনে অধ্যাপক লুসাই সৎ, নীতিবান ও আদর্শবান ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত। তাঁর জীবনচর্চায় সততা, পরোপকারিতা ও মানবকল্যাণের প্রতিফলন স্পষ্ট। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার প্রসার এবং তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করার ক্ষেত্রেও তিনি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে তিনি আস্থার প্রতীক। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও নৈতিক নেতৃত্ব ভবিষ্যতেও পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও সম্প্রীতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষা ও প্রশাসনের সমন্বয়ে তিনি যে নেতৃত্বের মডেল গড়ে তুলেছেন, তা পার্বত্য অঞ্চলের জন্য একটি কার্যকর ও টেকসই উদাহরণ হয়ে থাকবে।
১৩৩ বার পড়া হয়েছে