কুয়াকাটায় জমি দখল ও হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬ ৬:৪১ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় জমি দখল, বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ নিয়ে ভুক্তভোগী মো. শাহজাহান গাজী শুক্রবার মহিপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
শাহজাহান গাজী লিখিত বক্তব্যে জানান, বরিশালের বানারিপাড়া উপজেলার কুনদিহার গ্রামের খন্দকার মো. গোলাম হায়দার সেন্টু দীর্ঘদিন ধরে তার পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করে আসছেন। তিনি উল্লেখ করেন, মহিপুর থানার লতাচাপলী মৌজার (হাল মৌজা কুয়াকাটা পৌরসভা ৭ নং ওয়ার্ড) এসএ খতিয়ান নং ৪৮৫-এর অন্তর্ভুক্ত ৫৩৯২, ৫৩৯৩, ৫৩৯৪, ৫৩৯৫, ৫৩৯৬, ৫৪০২ ও ৫৪০৪ দাগের মোট ৬ একর ৮০ শতাংশ জমির মধ্যে ১ একর জমির মূল মালিক ছিলেন তার পিতা, মৃত ইয়াকুব আলী গাজী। পিতার মৃত্যুর পর তিনি, তার এক ভাই ও পাঁচ বোন ওয়ারিশ সূত্রে জমির মালিকানা পান।
তিনি অভিযোগ করেন, সেন্টু বিভিন্ন সময়ে জোরপূর্বক জমি দখল করেছেন এবং একাধিকবার তাকে মারধর করেছেন। পরে আদালতের মাধ্যমে মামলা করলে রায় তার পক্ষে আসে। আদালত, সার্ভেয়ার ও থানার উপস্থিতিতে জমি পরিমাপ করে ৮৮ শতাংশ জমি তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তিনি ওই জমিতে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন।
শাহজাহান গাজী আরও বলেন, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেন্টুর নেতৃত্বে তার ভাগিনা তুহিনসহ শতাধিক ব্যক্তি তার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ঘর ভাঙচুর করে ভেকু মেশিন দিয়ে সবকিছু ধ্বংস করে। এছাড়াও ট্রাকযোগে ভাঙচুর করা কাঠ-টিন, ১৬৫ বস্তা সিমেন্ট, রড ও আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শাহজাহান গাজী প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং নিজ জমিতে নিরাপদে বসবাসের নিশ্চয়তা দাবি করেন।
এই সংবাদ প্রকাশের সময় অভিযুক্ত খন্দকার মো. গোলাম হায়দার সেন্টুর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মহিপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাবিবুল্লাহ খান রাব্বী, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল ওহাব হাওলাদার, অর্থ সম্পাদক এম. পলাশ সরকারসহ অন্যান্য সদস্যরা।
১০৫ বার পড়া হয়েছে