গণসংহতি আন্দোলন ছাড়লেন মুস্তাফিজুর রহমান রাজিব
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১:১৪ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
মুস্তাফিজুর রহমান রাজিব গণসংহতি আন্দোলন থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ময়মনসিংহ জেলা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে গণসংহতি আন্দোলনের মাথাল প্রতীকের প্রার্থী ছিলেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ শহরের নতুন বাজার এলাকায় অবস্থিত ট্রিপল টি-তে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে মুস্তাফিজুর রহমান রাজিব বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণেই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। এখন থেকে তিনি গণসংহতি আন্দোলনের কোনো পদে যুক্ত থাকবেন না বলেও জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে মাথাল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৪৬৭ ভোট পান মুস্তাফিজুর রহমান রাজিব। কম ভোট পাওয়ায় তিনি জামানত হারান।
এই আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) ও ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ও ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমির কামরুল আহসান এমরুল, যিনি পান ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮০ ভোট।
এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী নাসির উদ্দিন পেয়েছেন ৮ হাজার ৭০১ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আবু মো. মুসা সরকার পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৪৫ ভোট। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনোনীত কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী এমদাদুল হক মিল্লাত পেয়েছেন ১ হাজার ৩৯৭ ভোট। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বি.এস.পি) মনোনীত একতারা প্রতীকের প্রার্থী মো. লিয়াকত আলী পেয়েছেন ৮৯২ ভোট। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী শেখর কুমার রায় পেয়েছেন ৭৪০ ভোট এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের প্রার্থী মো. হামিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৭৩ ভোট।
ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৫ জন, নারী ভোটার ৩ লাখ ৫০ হাজার ২৯১ জন এবং হিজড়া ভোটার ১০ জন। মোট ১৭৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৯৬৩টি।
১২৭ বার পড়া হয়েছে