মাউশির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ
শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ৯:১৮ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
ঝিনাইদহের শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমানের এমপিও বিতরণে দীর্ঘদিন বিলম্ব হওয়ায় মাউশি বিভাগের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহেনা পারভীন, মাউশি অধিদপ্তরের ডিজি (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি এম আব্দুল হান্নান, খুলনা অঞ্চলের উপপরিচালক (ভাঃ) মোঃ কামরুজ্জামান এবং প্রোগ্রামার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমান হাইকোর্টে ১১০৭৩/২০২৩ নং রীট মামলা দায়ের করলে আদালত রায়ে এক মাসের মধ্যে বকেয়া বেতনসহ এমপিও দেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর তিনি মাউশি অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের উপপরিচালকের নিকট আবেদন করলে, উপপরিচালক তিনবার অনুমোদন দিলেও প্রোগ্রামার জহির উদ্দিন কোনো কারণ দেখানো ছাড়াই আবেদনটি সেন্টব্যাক করেন।
মাউশির আইন শাখার মতামত অনুযায়ী পুনরায় আবেদন করলেও, ডিজি, ডিডি এবং সচিবের কাছে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সর্বশেষ ৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে এমপিও সেন্টব্যাক হওয়ায় এই ঘটনা দেশের উচ্চ আদালতের রায়ের প্রতি অবমাননার শামিল বলে দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, “মাহামান্য হাইকোর্টের রায়ের পরও প্রধান শিক্ষকের এমপিও দিতে তালবাহানা করা হচ্ছে—প্রোগ্রামার জহির উদ্দীনের খুঁটির জোর কোথায়?” এবং “মাউশি অধিদপ্তরের নীতিমালা অনুযায়ী প্রোগ্রামারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধা কোথায়?”
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
২৪৫ বার পড়া হয়েছে