সর্বশেষ

জাতীয়প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে একুশে পদক-২০২৬ গ্রহণ করলেন ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান
সারাদেশটেন্ডার দাখিল নিয়ে চাটমোহরে জামায়াত নেতার ওপর হামলা
মাগুরায় ভিজিএফ কার্ড বিতরণ ঘিরে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ১৪
মুক্তি পাচ্ছেন কক্সবাজারের সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদি
সোনাগাজীতে পিআইও ও অফিস সহায়ক ঘুষের টাকাসহ দুদকের হাতে আটক
নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিহত
হিলিতে আটক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে ফেরত দিল বিজিবি
কলমাকান্দায় অবৈধ বালু উত্তোলন: ৩ জনের কারাদণ্ড
রংপুরে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা: ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলা
নওগাঁয় আলুর বাম্পার ফলন, দামে ধস-লোকসানে দিশেহারা কৃষক
কুষ্টিয়ায় ফসলি জমি কেটে ইটভাটা: প্রশাসনের অভিযানেও ধরা পড়েনি চক্র
নওগাঁর পোরশা থেকে ১৩৭ কেজির প্রাচীন কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার
গোপালগঞ্জে জেলেদের বিকল্প আয়ের জন্য বকনা বাছুর বিতরণ
মোংলায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
নারায়ণগঞ্জে নোংরা টয়লেটের সাথেই সেমাই উৎপাদনে জরিমানা
ঝিনাইদহে রেল লাইনের পাশে যুবকের লাশ উদ্ধার
জামালপুরে নিরাপদ খাদ্য লঙ্ঘনের দায়ে অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা
শিবচরে খামারে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৭ গরু, ২০ হাঁস ও একটি ছাগল
জামালপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শিশুদের বইমেলা
কক্সবাজারে এলপিজি পাম্পে আগুন: ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ধুলো নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন: কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড সড়কে পানি ছিটাল পৌরসভা
তেঁতুলিয়ায় গ্রাম পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় কেউই পারল না জাতীয় সংগীত
জয়পুরহাটে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কাজ দ্রুত শুরু করার দাবিতে মানববন্ধন
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চুরির ঘটনা, নগদ ও স্বর্ণালংকার লুট
সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কে ভ্যান খাদে পড়ে চালক নিহত, দুইজন আহত
স্বাস্থ্য খাতে ১ লাখ ডাক্তার নিয়োগের ঘোষণা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর
নরসিংদীতে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে তরুনীকে হত্যার অভিযোগ
পটুয়াখালীর লতাচাপলীতে মাদকবিরোধী অভিযান: চারজন দণ্ডিত
সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে নৌযান শ্রমিকদের মানববন্ধন, চাঁদা দাবির প্রতিবাদ
নড়াইলে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের ৯০তম জন্মবার্ষিকী
ঝিনাইদহ-যশোর সড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ: ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ বিতরণ
ঝিনাইদহে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার, তদন্ত শুরু
ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হলো প্রি-পেইড বিদ্যুৎ মিটার কার্যক্রম
নোয়াখালীর সেনবাগে কানিজ ফাতেমার দাফন সম্পন্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল
কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ১০ জন; ৩০টি গাড়ি পুড়ে ছাই
তালতলীর ৯ খালের পুনঃখনন: কৃষকদের ভাগ্য বদলের প্রত্যাশা
জলদস্যু দমনের দাবিতে পাথরঘাটায় জেলেদের মানববন্ধন
শিবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপসহ যুবক আটক
আন্তর্জাতিকনরেন্দ্র মোদির ইসরায়েল সফর: পাকিস্তানের নিরাপত্তা উদ্বেগ
খেলাটি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ: সেমিফাইনালে ওঠার দৌড়ে নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান
জাতীয়

সাগরে প্লাস্টিক ও জেলিফিশের বিস্তার, সমুদ্র গবেষণায় জোর প্রধান উপদেষ্টার

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ৯:০৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে প্লাস্টিকের উপস্থিতি ও জেলিফিশের অস্বাভাবিক আধিক্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্থলভাগের সমপরিমাণ জলভাগ থাকা সত্ত্বেও এ বিপুল সামুদ্রিক সম্পদ এখনো যথাযথভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম বিষয়ক একটি গবেষণা প্রতিবেদন গ্রহণকালে তিনি এসব কথা বলেন। গবেষণা জাহাজ ‘আরভি ডক্টর ফ্রিডজফ ন্যানসেন’-এর মাধ্যমে পরিচালিত এই জরিপ প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করে সংশ্লিষ্ট কমিটি।

গত বছরের ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটটি দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানীর অংশগ্রহণে এ গবেষণা পরিচালিত হয়, যাদের মধ্যে ১৩ জন ছিলেন বাংলাদেশি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস-এর অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী বৈঠকে গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করেন।

তিনি জানান, গবেষণায় ৬৫টি নতুন জলজ প্রজাতির সন্ধান মিললেও সামুদ্রিক পরিবেশে ভারসাম্যহীনতার স্পষ্ট চিত্র উঠে এসেছে। বিশেষ করে গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের অতিরিক্ত বিস্তারকে ‘ওভারফিশিং’-এর ফল বলে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে দুই হাজার মিটার গভীরতাতেও প্লাস্টিকের অস্তিত্ব পাওয়া যাওয়াকে মারাত্মক উদ্বেগজনক বলে জানান। ২০১৮ সালের তুলনায় বড় মাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি অগভীর পানিতেও মাছের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

বৈঠকে জানানো হয়, বর্তমানে গভীর সমুদ্রে ২৭০ থেকে ২৮০টি বড় ট্রলার মাছ আহরণে নিয়োজিত থাকলেও এর মধ্যে প্রায় ৭০টি ট্রলার সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘টার্গেটেড ফিশিং’ করছে। এ ধরনের আগ্রাসী মাছ ধরার ফলে বড় মাছ ধরা পড়লেও ক্ষুদ্র জেলেরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, সোনার ফিশিং অব্যাহত থাকলে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ নিয়ে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান তিনি।

তবে গবেষণায় টুনা মাছের আধিক্য ও সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। পাশাপাশি সুন্দরবনের নিচে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘ফিশিং নার্সারি’ চিহ্নিত হয়েছে, যা সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সামুদ্রিক সম্পদকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কাজে লাগাতে হলে গভীর গবেষণা ও কার্যকর নীতিসহায়তা প্রয়োজন। বৈঠকে আরও জানানো হয়, যুক্তরাজ্যের রয়েল নেভির বহুমুখী সার্ভে জাহাজ ‘এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ’ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যা সমুদ্র গবেষণায় সক্ষমতা বাড়াবে। জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের সঙ্গে যৌথ গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. ইউনূস বলেন, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়েই সামুদ্রিক অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন সম্ভব।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১৫৮৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন