সর্বশেষ

জাতীয়আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খালেদা জিয়ার সংকটাপন্ন অবস্থার খবর গুরুত্বের সাথে প্রচার
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ভোটগ্রহণ চলছে
সারাদেশখুলনা দায়রা জজ আদালত চত্বরে দুর্বৃত্তের গুলিতে দুইজনের মৃত্যু
মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে চট্টগ্রামের কয়েকটি সড়কে অবরোধ
নীলফামারীর সব রুটে বাস চলাচল অনির্দিষ্টকাল বন্ধ
গাজীপুরে জোড় ইজতেমায় আরও দুই মুসল্লির মৃত্যু, মোট মৃত ৫
ভারত অনুমতি না দেওয়ায় ভুটানের পণ্য বুড়িমারীতে ৫ দিন ধরে আটকা
সেন্টমার্টিনে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে পর্যটকবাহী জাহাজের চলাচল
পঞ্চগড়ে টানা পাঁচদিন শীতের প্রভাব, তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রিতে
আন্তর্জাতিকগাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়াল: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
স্টকটনে পারিবারিক অনুষ্ঠানে গুলিবর্ষণ, নিহত ৪, আহত অন্তত ১০
যুক্তরাষ্ট্রে আফগানদের ভিসা প্রদানের সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত
খেলাশামীম হোসেন ফিরলেন দলে, সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়াল

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ ৭:০৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় মৃতের সংখ্যা ৭০ হাজারের সীমা অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি ছিটমহলটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সর্বশেষ ৩০১টি মৃতদেহ শনাক্ত হওয়ার পর মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ১০০ জনে।

মন্ত্রণালয় জানায়, নতুন করে শনাক্ত হওয়া নিহতদের মধ্যে দুজন সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারান। বাকিদের মরদেহ গাজার বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, গাজার পক্ষ থেকে প্রকাশিত নতুন এই মৃত্যুর পরিসংখ্যান নিয়ে ইসরায়েল তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। যদিও এর আগেও ইসরায়েল গাজার হিসাবকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে, তবে কখনোই নিজেদের কোনো বিকল্প সংখ্যা প্রকাশ করেনি।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের প্রাণঘাতী হামলার পর ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে, যা দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে। যুদ্ধের মধ্যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে সঠিক তথ্য সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়ায় হতাহতের হিসাব প্রণয়নও জটিল হয়ে ওঠে।

যুদ্ধের শুরুর দিকে গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা হাসপাতালভিত্তিক রেকর্ডের মাধ্যমে নিহতদের নাম ও পরিচয় সংগ্রহ করতেন। পরবর্তীতে কয়েক হাজার মৃতদেহের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত করার আগে ফরেনসিক ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করতে শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

চলতি বছরের ১০ অক্টোবর থেকে নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতির সুযোগে ধ্বংসস্তূপে চাপা থাকা দেহগুলো উদ্ধারের কাজ বাড়ানো হয়। এতে মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যুদ্ধের আগে গাজার স্বাস্থ্যতথ্য ব্যবস্থাপনা মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের তুলনায় উন্নত ছিল। জাতিসংঘও একাধিকবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য উদ্ধৃত করেছে এবং সেগুলোকে সাধারণত নির্ভরযোগ্য বলে অভিহিত করেছে।

১০৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন