সর্বশেষ

জাতীয়গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বললেই সংস্কারের পথে বাংলাদেশ এগোবে: রিজওয়ানা
২০০৮ সালের নির্বাচন কমিশন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেনি : দুদক চেয়ারম্যান
শেখ হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ড: আপিলের শুনানি চেম্বার জজ আদালতে
হাইকোর্ট জিএম কাদের ও এনডিএফ প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে রুল জারি
গ্যাস সংকটে নাকাল রাজধানীবাসী, দুর্ভোগ চরমে
সারাদেশরাঙামাটির লংগদুতে ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয়ে চাঁদাবাজি, চার যুবক আটক
টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশু বেঁচে আছে, চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে
দাউদকান্দিতে বাস দুর্ঘটনা: ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনায় বাসমালিক গ্রেপ্তার
খুলনায় আবারও জোড়া হত্যাকাণ্ড, এলাকায় আতঙ্ক
ধামরাইয়ে খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও কম্বল বিতরণ
সোনামসজিদে ট্রাকচাপায় পথচারীর মৃত্যু
মাদুরোর মুক্তির দাবিতে মাগুরায় মানববন্ধন
বেনাপোলে র‍্যাবের অভিযানে বিদেশি পিস্তলসহ যুবক গ্রেপ্তার
আন্তর্জাতিকইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ১৯২, উত্তাল পরিস্থিতি অব্যাহত
সিরিয়ায় আইএস ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান হামলা
খেলারংপুরকে আবারও হারাল রাজশাহী, পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে ওয়ারিয়র্স
জাতীয়

পণ্যদ্রব্যের বাজারে টানাপোড়েন : সামনে বাড়তে পারে আলুর দাম

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫ ৫:৫০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজধানীর খুচরা ও পাইকারি বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে আবারও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে আটা, ময়দা ও মসুর ডালের দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

এছাড়া, দীর্ঘদিন ধরেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি, ডিম, মুরগি ও পেঁয়াজ। বাজার সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, আগামী কিছুদিনের মধ্যেই আলুর দামও খুচরা পর্যায়ে বাড়তে পারে।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর তালতলা, কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্যাকেটজাত আটার দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৫৫-৬০ টাকায় পৌঁছেছে। খোলা আটাও ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের চেয়ে ৫ টাকা বেশি। ময়দার ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা গেছে; কোম্পানিভেদে কেজি প্রতি এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকা, আর খোলা ময়দা ৬৫-৭০ টাকায়।

মসুর ডালের দামেও রয়েছে উল্লম্ফন। ভালো মানের মসুর ডাল এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫০ টাকা কেজিতে, যেখানে কয়েকদিন আগেও ছিল ১৩৫-১৪০ টাকা। বড় দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২৫-১৩০ টাকা কেজিতে।

গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দামে বড় পরিবর্তন না হলেও, আগেই বাড়তি দামে আটকে আছে বেশিরভাগ পণ্য। যেমন, বেগুন ১০০-১২০ টাকা, করলা ৯০-১০০ টাকা, কচুর লতি ৮০-১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৭০-৮০ টাকা, আর পেঁপে এখনো বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়।
সবচেয়ে বেশি দামের মধ্যে রয়েছে কাঁচামরিচ, যা বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকা কেজি দরে।

পেঁয়াজের ক্ষেত্রে আমদানি বাড়লেও দাম কমেনি। স্থানীয় বাজারে দেশি পেঁয়াজ এখনো ৮০-৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি পর্যায়ে কারওয়ান বাজারে ভারতীয় আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬২ টাকায়, আর দেশি পেঁয়াজ ৬৫-৭২ টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, আমদানি করা পেঁয়াজের দামও এখন বেশি হওয়ায় বাজারে তা মূল্য হ্রাসে তেমন প্রভাব ফেলতে পারছে না।

বাজারে ডিম ও মুরগির দাম দীর্ঘদিন ধরেই স্থির উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকা কেজি দরে এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৩০ টাকায়। ডিমের দামও এখনও ১৪৫-১৫০ টাকা প্রতি ডজন।

গত কয়েক মাস ধরে উৎপাদনের তুলনায় কম দামে বিক্রি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন আলু উৎপাদক ও ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার হিমাগার পর্যায়ে আলুর ন্যূনতম মূল্য ২২ টাকা নির্ধারণ করেছে। এর ফলে পাইকারি বাজারে আলুর দাম ইতোমধ্যে সামান্য বেড়েছে।

বর্তমানে খুচরা বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা কেজিতে। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, হিমাগারে দাম ২২ টাকা হলে খুচরায় তা বেড়ে ৩৫-৪০ টাকায় পৌঁছাতে পারে। যদিও সরকারের মনিটরিং জোরদার থাকলে এর প্রভাব কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

আলুর পাইকারি বিক্রেতা জাহাঙ্গীর বলেন, "হিমাগার থেকে ২২ টাকা মূল্যে আলু কিনে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে আমাদের বিক্রি করতে হবে ২৭-২৮ টাকায়। তাই খুচরায় দাম বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।"

নিত্যপণ্যের বাজারে ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধিতে ভোক্তাদের উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে ডাল, আটা-ময়দা ও সবজির পর এবার আলুর দামের দিকে নজর যাচ্ছে সবার। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহ চেইনে যথাযথ নজরদারি ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ না থাকলে ভোক্তাদের জন্য সামনে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে।

২০৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন