সর্বশেষ

আইন-আদালত

ভোলাগঞ্জে পাথর লুট: ২ হাজার মানুষের জড়িত থাকার তথ্য হাইকোর্টে

সিলেট প্রতিনিধি
সিলেট প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার , ২৮ আগস্ট, ২০২৫ ১১:২৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি থেকে বিপুল পরিমাণ পাথর লুটে জড়িত ছিলেন প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ জন ব্যক্তি—এমন তথ্য উঠে এসেছে হাইকোর্টে দাখিল করা এক সরকারি প্রতিবেদনে। সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি থেকে বিপুল পরিমাণ পাথর লুটে জড়িত ছিলেন প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ জন ব্যক্তি—এমন তথ্য উঠে এসেছে হাইকোর্টে দাখিল করা এক সরকারি প্রতিবেদনে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) খনিজ সম্পদ ও পরিবেশ সচিবের পক্ষে আদালতে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।

বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়, খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার ৯৩(১) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে এই বিপুল সংখ্যক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ১৫ আগস্ট কোম্পানিগঞ্জ থানায় একটি মামলা (নম্বর: ০৯) দায়ের করা হয়, যেখানে বলা হয়—৫ আগস্ট থেকে অজ্ঞাতপরিচয় প্রায় ২০০০ ব্যক্তি ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি এলাকা থেকে অবৈধভাবে সাদা পাথর উত্তোলন করে নিয়ে যান।

আদালতের নির্দেশনায়, বুয়েটের একজন অধ্যাপকসহ ৬ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে আছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব। এই কমিটির কাজ হবে পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা।

এছাড়া জেলা প্রশাসক আদালতে এফিডেভিট দিয়ে জানিয়েছেন, পাথর পুনঃস্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে, দোষীদের তালিকা প্রণয়ন চলছে এবং ভোলাগঞ্জ এলাকায় নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত আছে।

প্রসঙ্গত, ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর লুট নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশের পর, পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (HRPB) হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করে। এর প্রেক্ষিতে, ১৪ আগস্ট হাইকোর্ট রুল জারি করে এবং প্রশাসনকে ৭ দিনের মধ্যে লুট হওয়া পাথর পুনঃস্থাপনের নির্দেশ দেয়।

এছাড়া জেলা প্রশাসন, বিজিবি, র‌্যাবসহ ৫ সংস্থাকে ১৫ দিনের মধ্যে দোষীদের তালিকা আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। পরিবেশ সচিব ও খনিজ সম্পদ সচিবকে বলা হয়েছে, বুয়েটের বিশেষজ্ঞসহ একটি কমিটি গঠন করে পরিবেশগত ক্ষতির আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করে ২ মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে।

১২৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
আইন-আদালত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন